📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩০ বছরের পুরনো লাইব্রেরি পরিত্যক্ত: কবুতর ও ইঁদুরের রাজত্বে বইয়ের আলমারি

৩০ বছরের পুরনো লাইব্রেরি পরিত্যক্ত: কবুতর ও ইঁদুরের রাজত্বে বইয়ের আলমারি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি ৩০ বছর ধরে তালাবদ্ধ থাকায় পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। বইয়ের আলমারিতে কবুতরের বাসা, মেঝেতে বিষ্ঠার স্তূপ এবং ইঁদুরের আক্রমণে বই নষ্ট হয়ে গেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, ভবন সংস্কার ও চুরির তদন্ত ছাড়া এটি পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী পাবলিক লাইব্রেরি ৩০ বছর ধরে তালাবদ্ধ থাকায় পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। একসময় জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই লাইব্রেরিতে এখন কবুতর, ইঁদুর ও উইপোকার রাজত্ব। বইয়ের আলমারিতে কবুতরের বাসা, মেঝেতে বিষ্ঠার স্তূপ এবং মূল্যবান বই ও আসবাবের বড় অংশ চুরি হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩০ বছর ধরে তালাবদ্ধ সাটুরিয়া পাবলিক লাইব্রেরি পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে, বইয়ের আলমারিতে কবুতরের বাসা তৈরি হয়েছে
  • 📌 মেঝেতে বিষ্ঠার স্তূপ এবং ইঁদুরের আক্রমণে অবশিষ্ট বই নষ্ট হয়ে গেছে
  • 📌 ভাঙা দরজা-জানালার গ্রিলসহ মূল্যবান বই ও আসবাবের বড় অংশ চুরি হয়ে গেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ
  • 📌 লাইব্রেরির পাশে সরকারি ডাকবাংলো ও উচ্চবিদ্যালয় থাকলেও এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে
  • 📌 সাটুরিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আনোয়ার হাসান পিন্টু বলেছেন, তদারকির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন
  • 📌 ইউএনও কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম লাইব্রেরির সভাপতি হিসেবে পরিচিত না হওয়ায় হতবাক হন
  • 📌 লাইব্রেরির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম হাসান জানান, বই ও আসবাব চুরি হয়েছে বলে শুনেছেন

📰 বিস্তারিত

১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত এই লাইব্রেরি একসময় দুই থেকে তিন শতাধিক পাঠককে আকর্ষণ করত। সরকারি অনুদানও পেতো প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধীরে ধীরে পাঠকশূন্য হয়ে পড়ে এবং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হক লাইব্রেরিটি পরিদর্শন করেন। তালা খুলে ভেতরে ঢুকলে তাঁরা দেখতে পান, বইয়ের আলমারিতে কবুতরের বাসা এবং মেঝেতে বিষ্ঠার স্তূপ। ইঁদুর ও উইপোকার আক্রমণে অবশিষ্ট বই নষ্ট হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙা দরজা-জানালার গ্রিলসহ মূল্যবান বই ও আসবাবের বড় অংশ চুরি হয়ে গেছে।

লাইব্রেরির পাশেই রয়েছে সরকারি ডাকবাংলো ও সাটুরিয়া সরকারি আদর্শ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়। একসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ডাকবাংলোয় আসা অতিথিরা এখান থেকে বই নিয়ে পড়তেন। কিন্তু এখন এটি শুধুই পরিত্যক্ত এক স্থাপনা। দীর্ঘদিন চুনকাম না হওয়ায় ভবনের গেটের সামনেও খড়ির স্তূপ দেখা যায়।

সাটুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হাসান পিন্টু বলেন, ‘সরকারি অনুদান এলে কমিটি গঠন করে টাকা ব্যয়ের লোক পাওয়া যায়, কিন্তু লাইব্রেরির দেখভালের দায়িত্ব নেওয়ার কেউ নেই। তদারকির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বললেও তাঁরা দায়িত্ব এড়িয়ে যান।’

লাইব্রেরিটির সভাপতি হিসেবে পরিচিত ইউএনও কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম বলেন, ‘আমি যে এ লাইব্রেরির সভাপতি, সেটিই আমি জানি না। আমাকে কেউ এ বিষয়ে অবগত করেননি।’ পরিদর্শনে এসে লাইব্রেরির এমন অবস্থা দেখে তিনি হতবাক হন এবং দ্রুত অডিটরিয়াম সংস্কার ও লাইব্রেরিটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন।

লাইব্রেরির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. গোলাম হাসান জানান, দীর্ঘদিন তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘লাইব্রেরির বই ও আসবাব চুরি হয়ে গেছে বলে আমি শুনেছি। স্থানীয়দের দাবি, শুধু ভবন সংস্কার নয়, বই ও আসবাব চুরির অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত করতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করে লাইব্রেরিটি আবার পাঠকদের জন্য খুলে দিতে হবে।’

"সরকারি অনুদান এলে কমিটি গঠন করে টাকা ব্যয়ের লোক পাওয়া যায়, কিন্তু লাইব্রেরির দেখভালের দায়িত্ব নেওয়ার কেউ নেই। তদারকির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বললেও তাঁরা দায়িত্ব এড়িয়ে যান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাটুরিয়া উপজেলা, মানিকগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ার হাসান পিন্টু (চেয়ারম্যান), কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম (ইউএনও), মো. গোলাম হাসান (সাবেক সাধারণ সম্পাদক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর (তালাবদ্ধ অবস্থায়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖