📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২৬ বছর পর সীমান্তে বাবার শেষ দেখা: মেয়ে দেখলেন মৃতদেহ

২৬ বছর পর সীমান্তে বাবার শেষ দেখা: মেয়ে দেখলেন মৃতদেহ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মেহেরপুরের মুজিবনগরে সীমান্তের শূন্যরেখায় বাবার মৃতদেহ দেখতে এসেছিলেন তার মেয়ে ফিরদৌসী খাতুন। ২৬ বছর আগে শেষ দেখা হয়েছিল তাদের। বাবা বার্ধক্য ও রোগে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন, কিন্তু পাসপোর্ট ও অর্থের অভাবে ভারতে যেতে পারেননি মেয়ে

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার সীমান্তে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। ২৬ বছর পর বাবার মৃতদেহ দেখতে এসেছিলেন তার মেয়ে ফিরদৌসী খাতুন। তবে সীমান্তের শূন্যরেখায় তিনি দেখলেন বাবার নিথর দেহ। বাবা মোনরুদ্দিন শেখের মৃতদেহের সাথে শেষ দেখা হয়েছিল মেয়ের।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৬ বছর পর সীমান্তে বাবার মৃতদেহ দেখতে এসেছিলেন ফিরদৌসী খাতুন — মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার স্বাধীনতা সড়কের ১০৫ নম্বর সীমান্ত পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় ঘটনা ঘটে
  • 📌 বাবা মোনরুদ্দিন শেখের মৃতদেহের সাথে শেষ দেখা হয়েছিল মেয়ের — ১১ টায় সীমান্তে এসে তিনি দেখলেন বাবার নিথর দেহ
  • 📌 ৪৫ বছর বয়স থেকে বিয়ে হওয়া ফিরদৌসী খাতুন — সাত বছর ধরে বাবা শয্যাশায়ী ছিলেন, কিন্তু অর্থের অভাবে ভারতে যেতে পারেননি
  • 📌 সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাটি দেখেছেন — ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার বাসিন্দা মোনরুদ্দিন শেখের মৃতদেহের সাথে শেষ দেখা হয়েছিল মেয়ের

📰 বিস্তারিত

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার স্বাধীনতা সড়কের ১০৫ নম্বর সীমান্ত পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বৃহস্পতিবার ১১ টায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার বাসিন্দা মোনরুদ্দিন শেখের মৃতদেহের সাথে শেষ দেখা হয়েছিল তার মেয়ে ফিরদৌসী খাতুনের। ফিরদৌসী খাতুনের বিয়ে হয়েছিল ৪৫ বছর বয়স থেকে।

মেয়ের বাবা মোনরুদ্দিন শেখ প্রায় সাত বছর ধরে বার্ধক্যের নানা সমস্যায় শয্যাশায়ী ছিলেন। তবে অর্থের অভাব ও পাসপোর্ট-ভিসার খরচ জোগাতে না পারায় ফিরদৌসী খাতুন ভারতে যেতে পারেননি। অবশেষে বাবার কাছে যাওয়ার সুযোগ পেলেও তিনি দেখলেন বাবার মৃতদেহ। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাটি দেখেছেন এবং সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ফিরদৌসী খাতুনের বাবা মোনরুদ্দিন শেখের মৃতদেহের সাথে শেষ দেখা হয়েছিল ২৬ বছর পর। সীমান্তের শূন্যরেখায় দাঁড়িয়ে তিনি দেখলেন বাবার নিথর দেহ। এই ঘটনা বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের জন্যও একটি গভীর অনুভূতির ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

"আমি ২৬ বছর পর বাবার মৃতদেহ দেখতে এসেছি। আমার জীবনে এটাই সবচেয়ে কষ্টকর মুহূর্ত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মুজিবনগর উপজেলা, মেহেরপুর; স্বাধীনতা সড়ক, ১০৫ নম্বর সীমান্ত পিলার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিরদৌসী খাতুন (মেয়ে), মোনরুদ্দিন শেখ (বাবা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ বছর (বিভক্তির পর), ১১ টা (ঘটনার সময়), ১০৫ নং (সীমান্ত পিলার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖