📌 এলিজাবেথ হোমসের প্রতারণা গল্পের তথ্যচিত্র 'ইউ ক্যান সি এভরিথিং' উত্তর আমেরিকায় বক্স অফিসে শীর্ষে দাঁড়িয়েছে। ৩ হাজার ২৪৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির তৃতীয় সপ্তাহেও ছবিটি ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার আয় করেছে। মোট আয় পৌঁছেছে ৫ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার।
মার্কিন তথ্যচিত্র ‘ইউ ক্যান সি এভরিথিং’ বক্স অফিসে শীর্ষে দাঁড়িয়ে গত শুক্রবার উত্তর আমেরিকায় ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার আয় করেছে। এই তথ্যচিত্রটি নির্মাতা এলিজাবেথ হোমসের উত্থান ও প্রতারণার ঘটনাবলিকে কেন্দ্র করে তৈরি। গত ১৬ অক্টোবর মুক্তির পর থেকে উত্তর আমেরিকায় ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার। তথ্যচিত্রটি নির্মাণে তিন বছরের বেশি সময় লেগেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উত্তর আমেরিকায় ৩ হাজার ২৪৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির তৃতীয় সপ্তাহে তথ্যচিত্র ‘ইউ ক্যান সি এভরিথিং’ ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার আয় করেছে।
- 📌 মুক্তির পর থেকে উত্তর আমেরিকায় ছবিটির মোট আয় ৫ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সপ্তাহান্তে আয় ১ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
- 📌 তথ্যচিত্রটি নির্মাণে নাথান ফিল্ডার ও ল্যান্স ওপেনহাইমের যৌথ উদ্যোগে তিন বছরের বেশি সময় লেগেছে।
- 📌 তথ্যচিত্রে এলিজাবেথ হোমসের উত্থান, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও থেরানোস প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
- 📌 তথ্যচিত্রটি আগামী ৯৯তম অস্কারে সেরা তথ্যচিত্র বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগেও জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 বক্স অফিসে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘ক্লেফেস’ (৩৩ লাখ ডলার) এবং তৃতীয় স্থানে ‘ওয়াইল্ডউড’ (২৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার)।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন তথ্যচিত্র ‘ইউ ক্যান সি এভরিথিং’ বক্স অফিসে শীর্ষে দাঁড়িয়ে বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে। এই তথ্যচিত্রটি নির্মাতা এলিজাবেথ হোমসের উত্থান ও প্রতারণার ঘটনাবলিকে কেন্দ্র করে তৈরি। গত ১৬ অক্টোবর উত্তর আমেরিকায় মুক্তির পর থেকে ছবিটি ৩ হাজার ২৪৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির তৃতীয় সপ্তাহেও ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার আয় করেছে। মুক্তির পর থেকে উত্তর আমেরিকায় ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সপ্তাহান্তে এর আয় ১ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তথ্যচিত্রটি নির্মাণে কমেডিয়ান নাথান ফিল্ডার ও নির্মাতা ল্যান্স ওপেনহাইমের যৌথ উদ্যোগে তিন বছরের বেশি সময় লেগেছে। তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে প্রতিষ্ঠাতা এলিজাবেথ হোমসের উত্থান, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও প্রতারণার ঘটনা। তিনি মার্কিন উদ্যোক্তা ছিলেন এবং রক্ত পরীক্ষার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান থেরানোসের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। একসময় তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি ও ব্যবসাজগতের অন্যতম সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা মনে করা হতো। কিন্তু পরে তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ওঠে।
তথ্যচিত্রটি আগামী ৯৯তম অস্কারে সেরা তথ্যচিত্র বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগেও জমা দেওয়ার পরিকল্পনা নির্মাতাদের রয়েছে। বক্স অফিসে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওয়ার্নার ব্রাদার্স ও ডিসির ‘ক্লেফেস’। উত্তর আমেরিকার ৩ হাজার ৪৭৮টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে ছবিটি আয় করেছে ৩৩ লাখ ডলার। মুক্তির পর দেশটিতে এর মোট আয় ৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার।
"তথ্যচিত্রটি নির্মাণে তিন বছরের বেশি সময় কাজ করেছেন নাথান ফিল্ডার ও ল্যান্স ওপেনহাইম। হোমসের কারাজীবন শুরুর আগের সময়কে কেন্দ্র করে ছবিটি নির্মিত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর আমেরিকা (৩ হাজার ২৪৩টি প্রেক্ষাগৃহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এলিজাবেথ হোমস, নাথান ফিল্ডার, ল্যান্স ওপেনহাইম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার (মোট আয়), ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার (সপ্তাহান্তে আয়), ৩ হাজার ২৪৩টি প্রেক্ষাগৃহ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!