📌 পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সিনেমায় প্রথমবারের মতো চিকিৎসকের চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। 'ডাক্তার কাকু' ছবিতে তিনি বাবা-ছেলের সম্পর্ক ও চিকিৎসা পেশার নৈতিক সংকট নিয়ে কথা বলছেন। প্রসেনজিৎ নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের অভিনয় শৈলী শিখতে আগ্রহী প্রকাশ করেছেন
বাংলা সিনেমার প্রসিদ্ধ অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় প্রথমবারের মতো চিকিৎসকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘ডাক্তার কাকু’ নামের এই ছবিতে তিনি একজন চিকিৎসকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন, যা পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সিনেমায় তার নতুন অভিষেক। পাভেল পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে প্রসেনজিৎের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন ঋদ্ধি সেন ও এনা সাহা। ছবির কেন্দ্রে রয়েছে বাবা ও ছেলের সম্পর্ক, যারা উভয়েই চিকিৎসক। তবে তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের মধ্যে টানাপোড়েনই ছবির মূল বিষয়বস্তু।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘ডাক্তার কাকু’ ছবিতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় প্রথমবারের মতো চিকিৎসকের চরিত্রে অভিনয় করছেন, যা তার পেশাগত জীবনের নতুন মাইলফলক।
- 📌 ছবিতে বাবা-ছেলের সম্পর্কের মধ্যে চিকিৎসা পেশার নৈতিক সংকট ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে।
- 📌 প্রসেনজিৎ নতুন প্রজন্মের অভিনেতা ঋদ্ধি সেনের অভিনয় শৈলী সম্পর্কে বলেছেন, ‘ঋদ্ধির কোনো কাজ ভালো লাগলে মাঝরাতে ওকে মেসেজ দিই।’
- 📌 ‘ডাক্তার কাকু’ ছবির নির্মাণ শুরু হয়েছিল করোনা মহামারির আগে, কিন্তু প্রেক্ষাগৃহে এসেছে দীর্ঘ সময় পর।
- 📌 প্রসেনজিৎ বলেছেন, ‘বাঙালি মধ্যবিত্ত জীবনের পরিচিত আবহ এবং শিকড়ের কাছাকাছি থাকা বাঙালিয়ানা’ ছবিতে প্রতিফলিত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
‘ডাক্তার কাকু’ ছবিতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রটি শুধু চিকিৎসক নয়, বরং মধ্যবিত্ত মানসিকতা, বিশ্বাস ও আদর্শবোধের সমন্বয়ে গঠিত। তিনি বলেছেন, ‘ছবিটিতে বাঙালি মধ্যবিত্ত জীবনের পরিচিত আবহ এবং শিকড়ের কাছাকাছি থাকা বাঙালিয়ানা রয়েছে। চরিত্রটি পরিচিত মনে হলেও এমন চরিত্র আগে করা হয়নি।’ প্রসেনজিৎের ভাষায়, ছবিটি বাঙালি জীবনের গভীরতা ও চরিত্রের মধ্যে টানাপোড়েনকে তুলে ধরেছে।
ছবির প্রচারে প্রসেনজিৎ দ্য ওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের কাছ থেকে শিখতে চান। তিনি ঋদ্ধি সেনের অভিনয় শৈলী সম্পর্কে বিশেষ প্রশংসা করেছেন। ‘ঋদ্ধির কোনো কাজ বা ভিডিও ভালো লাগলে মাঝরাতেও ওকে মেসেজ দিই। নতুন প্রজন্মের নিজস্ব একটি অভিনয়ের ভাষা তৈরি হয়েছে। সেই ভাষার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াও জরুরি,’ বলেছেন তিনি। প্রসেনজিৎ আরও জানান, ‘কোনো জটিল দৃশ্য থাকলে শুটিংয়ের আগে ঋদ্ধির সঙ্গে বসে স্ক্রিপ্ট পড়তাম।’
‘ডাক্তার কাকু’ ছবিতে চিকিৎসা পেশার নৈতিক সংকট ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, ভালো চিকিৎসা পাওয়ার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়, যা পেশাগত নৈতিকতার সংকট সৃষ্টি করে। প্রসেনজিৎ বলেছেন, ‘আমি আবেগপ্রবণ মানুষ এবং অতীতের সঙ্গে যুক্ত শিকড়কে আঁকড়ে থাকতে ভালোবাসি। সিনেমাটি সেই শিকড়ের গল্প বলতে চেয়েছে। আমার জীবনেও এমন একাধিক ‘ডাক্তার কাকু’ দেখেছি। তাই চরিত্রটির কথা শুনে রাজি না হয়ে পারিনি।’
"আমি আবেগপ্রবণ মানুষ এবং অতীতের সঙ্গে যুক্ত শিকড়কে আঁকড়ে থাকতে ভালোবাসি। সিনেমাটি সেই শিকড়ের গল্প বলতে চেয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋদ্ধি সেন, পাভেল (পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (প্রথমবারের মতো চিকিৎসকের চরিত্রে অভিনয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!