📌 ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম দিবসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গুমের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময় গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণ করেছেন।
ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৬ — বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ৩০ আগস্ট ‘গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে এক বাণী প্রদান করেছেন। এই দিবসে তিনি বিশ্বের সকল গুমের শিকার ব্যক্তি, তাঁদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সংহতি প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে বিগত বছরগুলোতে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময়ে গুমের শিকার প্রত্যেক ব্যক্তিকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। 🔹 **গুমের নির্মম প্রভাব সম্পর্কে রিজভীর বক্তব্য:** - গুম কেবল একজন মানুষকে তাঁর পরিবার ও সমাজ থেকে অদৃশ্য করে দেওয়া নয়; এটি মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং জীবনের অধিকারের ওপর এক নির্মম আঘাত। - বছরের পর বছর প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষা, তাঁর ভাগ্য সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এবং সত্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার যে অসহনীয় যন্ত্রণা তা কোনো পরিবারকে বহন করতে হওয়া উচিত নয়। 🔹 **বাংলাদেশে গুমের রাজনৈতিক প্রভাব:** - বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে গুম রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও ভিন্নমত স্তব্ধ করার এক ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। - বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীসহ বহু মানুষ এর শিকার হয়েছেন। - অনেক পরিবার আজও জানে না তাঁদের প্রিয়জন কোথায়, কী অবস্থায় আছেন কিংবা আদৌ ফিরে আসবেন কি না। 🔹 **বিএনপির অবস্থান ও দাবি:** - বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, গুমের প্রতিটি ঘটনার সত্য উদঘাটন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অপরিহার্য শর্ত। - কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না। - গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের সত্য জানা, ন্যায়বিচার পাওয়া, ক্ষতিপূরণ ও যথাযথ পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। 🔹 **ভবিষ্যতের অঙ্গীকার:** - বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা আর কখনো নাগরিকের বিরুদ্ধে গুমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। - আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে জবাবদিহির আওতায়। - রাজনৈতিক পরিচয় বা মতভিন্নতার কারণে কোনো নাগরিকের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে না। আজকের এই দিনে বিএনপির অঙ্গীকার—আর কোনো গুম নয়, আর কোনো পরিবারকে অনন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে না। যাঁরা এখনও নিখোঁজ, তাঁদের প্রত্যেকের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য প্রকাশ করতে হবে। যাঁরা ফিরে এসেছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আর যাঁরা আর কখনো ফিরে আসবেন না, তাঁদের পরিবার যেন সত্য, স্বীকৃতি ও বিচার পায়—রাষ্ট্রকে তা নিশ্চিত করতে হবে। গুমের শিকার সকল ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের প্রতি আবারও গভীর শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সংহতি জানাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি তাঁদের পাশে থাকবে। বার্তা প্রেরক: মুহম্মদ মুনির হোসেন সহ-দফতর সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
🟢 বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)
সকল সংবাদ →
গুমের শিকারদের স্মরণে বিএনপির আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে বাণী
📷 ছবি: সোর্স: Bangladesh Nationalist Party (BNP) Facebook
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
এর সরকারি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি পোস্টের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত।
মূল পোস্টের লিংক ও তারিখ নিচে "সোর্স:" ব্লকে উল্লেখ করা হয়েছে।
📌 সোর্স
📌 সোর্স:
Bangladesh Nationalist Party (BNP) Facebook
🔗 মূল পোস্ট:
https://www.facebook.com/bnpbd.org/posts/pfbid0UgLoXacvGPeSmDHjC2VSwbvyNZosPyxDrT9b5bNPeYi… ↗
📅 পোস্টের তারিখ:
২৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ
📊 সোশ্যাল মেট্রিক্স:
👍 রিঅ্যাকশন: ৬০৯
· 💬 মন্তব্য: ১৯
· 🔁 শেয়ার: ৭৬
ℹ️ উপরের কন্টেন্ট মূল ফেসবুক পোস্টের বাংলা রূপান্তর।
মূল পোস্টের সাথে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি — শুধু সংবাদ ফরম্যাটে সাজানো হয়েছে।
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!