📌 বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও চাপ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি
কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত এক সভায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে পড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএফইউজে মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা জরুরি বলে উল্লেখ করেন
- 📌 তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রাতিষ্ঠানিক চাপ সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে বাধা দিচ্ছে
- 📌 বিএফইউজে নেতা জানান, অধিকাংশ গণমাধ্যম ওয়েজবোর্ড না মানায় সাংবাদিকদের ন্যায্য বেতন নিশ্চিত হচ্ছে না
- 📌 তিনি সরকারকে "নো ওয়েজবোর্ড, নো মিডিয়া" নীতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান
- 📌 কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের কলম থামানো গেলেও সত্যকে থামানো যায় না
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিক ইউনিয়ন, কক্সবাজারের বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএফইউজে মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতা ব্যতীত দেশ ও গণতন্ত্রের উন্নয়ন সম্ভব নয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রকে অবশ্যই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
কাদের গনি চৌধুরী উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা অতীতের তুলনায় কিছুটা স্বাধীনতা পেলেও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব, প্রাতিষ্ঠানিক চাপ এবং পেশাগত অনিরাপত্তার কারণে অনেক সাংবাদিক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ যেমন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে, তেমনি অপসাংবাদিকতা ও পেশাগত দক্ষতার অভাবও বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বিএফইউজে মহাসচিব জানান, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে হলে শুধু নিরাপত্তাই নয়, সাংবাদিকদের ন্যায্য বেতন, কর্মপরিবেশ এবং পেশাগত মর্যাদাও নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, অধিকাংশ গণমাধ্যম ওয়েজবোর্ড মেনে চলছে না। অনেক গণমাধ্যমে সাংবাদিকদের বেতন মালিকের ড্রাইভারের বেতনের চেয়েও কম দেওয়া হয়। তিনি সরকারকে "নো ওয়েজবোর্ড, নো মিডিয়া" নীতি কার্যকর করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, সাংবাদিকতা শুধু একটি চাকরি নয়। দেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার, ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা এবং বৈষম্য দূরীকরণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য। গণমাধ্যমের উচ্চকণ্ঠ না থাকলে সমাজে অপরাধ বৃদ্ধি পায়। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সংবিধানে স্বাধীন বিচার বিভাগের পাশাপাশি স্বাধীন গণমাধ্যমকে বিশেষ সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
"সাংবাদিকদের ওপর আঘাত মানে বিবেকের ওপর আঘাত। কলমকে থামানো যায়, সত্যকে নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার, বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: কাদের গনি চৌধুরী (বিএফইউজে মহাসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!