📌 বাটন ফোনে মধ্যরাতের ফোনালাপ থেকে প্রেমের সূচনা। না দেখে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও চিকিৎসক শান্তা চৌধুরী। দুই দশক পেরিয়ে গেলেও সেই সম্পর্ক রয়ে গেছে অবিচ্ছিন্ন
অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও চিকিৎসক শান্তা চৌধুরীর বিবাহবন্ধন শুরু হয়েছিল এক মধ্যরাতের ফোনালাপ থেকে। তখনকার বাটন ফোন যুগে গভীর রাতে শান্তা তাঁর অভিনয়ের প্রশংসা করে একটি ফোন কল করেছিলেন চঞ্চলকে। সেই ফোনালাপই ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছিল প্রেমে। মাসখানেক কথাবার্তার পর ফোনেই বিয়ের প্রস্তাব দেন চঞ্চল। শান্তাও রাজি হওয়ায় দুই দশক আগে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে শান্তা চৌধুরীর পরিচয় হয়েছিল ২০০৫ সালে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনচিত্রের সূত্রে
- 📌 মধ্যরাতের ফোনালাপ থেকে শুরু হয়েছিল প্রেমের সম্পর্ক, যা পরবর্তীতে বিবাহে রূপ নেয়
- 📌 চঞ্চল ফোনেই শান্তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন এবং তিনি রাজি হন
- 📌 বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল দুই দফায়: প্রথমে আইনি প্রক্রিয়া ও পরে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে
- 📌 বিবাহের ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার প্রাক্কালে চঞ্চল তাঁদের সম্পর্কের শুরুর গল্প প্রকাশ করেন
📰 বিস্তারিত
২০০৫ সালে গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজের সূত্রে অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল চিকিৎসক শান্তা চৌধুরীর। তখন চঞ্চলের বড় ভাই পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে শিক্ষকতা করতেন। শান্তা ছিলেন তাঁর ছাত্রী। একদিন চঞ্চলের বাবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তাঁকে দেখতে গেলে সেখানেই প্রথম দেখেছিলেন শান্তা। পরে তাঁর ফোন নম্বর সংগ্রহ করে ফোন দেন শান্তা। শুরু হয় কথাবার্তা। সেই ফোনালাপই ধীরে ধীরে গড়ে তোলে সম্পর্ককে।
মাসখানেক কথাবার্তার পর একদিন চঞ্চলই শান্তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন। তাঁর মনে হয়েছিল, শান্তা তাঁর অভিনয়ের প্রশংসা করলেও আসলে তাঁকেই ভালোবেসেছেন। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি বিবাহের প্রস্তাব দেন। শান্তাও রাজি হওয়ায় তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল দুই দফায়। প্রথমে আইনি প্রক্রিয়ায় কাগজপত্র সম্পন্ন হয়, পরে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে দ্বিতীয় দফার আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়।
তবে বিবাহের পরেও শান্তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য এই বিবাহকে মেনে নিতে পারেননি। কারণ, শান্তা ছিলেন চিকিৎসক এবং তাঁর পরিবারের ইচ্ছা ছিল তাঁর বিবাহ যেন কোনো চিকিৎসকের সঙ্গেই হয়। অন্যদিকে চঞ্চল তখন অভিনয়ে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করেছিলেন। পরবর্তীতে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলায়। শান্তার বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর মা জামাই হিসেবে চঞ্চলকে মেনে নেন।
বিবাহের ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার প্রাক্কালে চঞ্চল তাঁদের সম্পর্কের শুরুর গল্প প্রকাশ করেন। তিনি লিখেছেন, ‘বিশে বিষক্ষয়!’ তাঁর মতে, তাঁর পরিবারের সবাই বিবাহে খুশি হলেও শান্তার পরিবারের কয়েকজন ছিলেন ঘোর অরাজি। তবে তাঁরা নিজেদের সিদ্ধান্তেই বিবাহ সম্পন্ন করেছিলেন। চঞ্চল লিখেছেন, ‘কখনো ভাবিইনি যে আমার মতো বাউন্ডুলের সঙ্গে ভদ্রমহিলা এত দিন সংসার করবে!’ তাঁদের সংসারে একমাত্র সন্তান শুদ্ধ। দুই দশক পেরিয়ে গেলেও তাঁদের সম্পর্ক রয়ে গেছে অবিচ্ছিন্ন।
‘তখন বয়স বেড়ে যাচ্ছিল দ্রুত। বিয়ের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকেও চাপ ছিল। বাবা-মা, ভাই-বোন—সবার কাছেই যেন তিনি “পুত্রদায়গ্রস্ত” হয়ে উঠেছিলাম।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরান ঢাকা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চঞ্চল চৌধুরী, শান্তা চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!