📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যাংক ঋণ নজরদারির অভাবে বেড়ে চলেছে খেলাপির হার: বিআইবিএম গবেষণা প্রকাশ

ব্যাংক ঋণ নজরদারির অভাবে বেড়ে চলেছে খেলাপির হার: বিআইবিএম গবেষণা প্রকাশ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে ব্যাংক ঋণ নজরদারির অভাবের কারণে ঋণ গ্রহীতারা অর্থের সদ্ব্যবহার না করে বিভিন্ন অপব্যবহারে লিপ্ত হচ্ছেন। বিআইবিএমের গবেষণা অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের হার মোট ঋণের ৩২.৭৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের চেয়ে অনেক বেশি

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঋণ নজরদারির অভাব। ঋণ গ্রহীতারা ঋণ প্রোফাইলে উল্লেখিত অর্থের বাইরে জমি, বাড়ি, গাড়ি কিনে বা বিদেশে অর্থ পাচার করে অর্থের অপব্যবহার করছেন। এসব অপব্যবহার খেলাপি ঋণের হার বাড়িয়ে তুলছে, যা বর্তমানে মোট ঋণের ৩২.৭৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঋণ গ্রহীতারা ঋণ প্রোফাইলে উল্লেখিত অর্থের বাইরে জমি, বাড়ি, গাড়ি কিনে বা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছেন
  • 📌 ৬০ শতাংশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ প্রদানকে বড় সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করছেন গবেষণা অংশগ্রহণকারীরা
  • 📌 নিয়ন্ত্রক নীতিতে শিথিলতা বা বারবার হস্তক্ষেপ ঋণ-শৃঙ্খলাকে দুর্বল করছে
  • 📌 ঋণ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে খেলাপি ঋণ ও প্রভিশনসংক্রান্ত সূচক উন্নত দেখানোর প্রবণতা রয়েছে
  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) এর গবেষণা থেকে জানা যায়, ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণ বিতরণের পর অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ৬০ শতাংশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ প্রদানকে একটি বড় সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করেছেন। অন্যদিকে, কমপক্ষে ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, নিয়ন্ত্রক নীতিতে শিথিলতা বা বারবার নীতিগত হস্তক্ষেপ ব্যাংকিং খাতে ঋণ-শৃঙ্খলাকে দুর্বল করে তুলছে।

বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘গবেষণাটি ঋণ মূল্যায়নের মান, ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীনতা, ঋণ বিতরণ-পরবর্তী তদারকি এবং ঋণ পুনর্গঠন ও আদায় প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খেলাপি ঋণের উচ্চ হার আসলে দেশের সমস্যা। আমাদের কাজ হলো কারণগুলো খতিয়ে দেখা ও বাস্তবায়নযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘ঋণ অনুমোদনে স্বচ্ছতা, যথাযথ ঝুঁঁকি মূল্যায়ন এবং কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা ছাড়া খেলাপির লাগাম টানা সম্ভব নয়।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের জুন প্রান্তিক শেষে ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। এটি মোট ঋণের তুলনায় ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আন্তর্জাতিকভাবে, একটি দেশের খেলাপির হার ৫ শতাংশের নিচে থাকাটা আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হয়।

"গবেষণাটি ঋণ মূল্যায়নের মান, ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বাধীনতা, ঋণ বিতরণ-পরবর্তী তদারকি এবং ঋণ পুনর্গঠন ও আদায় প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। খেলাপি ঋণের উচ্চ হার আসলে দেশের সমস্যা। আমাদের কাজ হলো কারণগুলো খতিয়ে দেখা ও বাস্তবায়নযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. মো. এজাজুল ইসলাম (বিআইবিএম মহাপরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা (খেলাপি ঋণ), ৩২.৭৮ শতাংশ (খেলাপির হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖