📋 জীবনী
সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের একজন বাংলাদেশী চিকিৎসক, ব্যবসায়ী রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তিনি কুমিল্লা-১১ (পূর্ববর্তী কুমিল্লা-১২) আসনে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশে সর্বাধিক প্রচারিত শিশু-কিশোর মাসিক নতুন কিশোরকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা। তিনি জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতার দায়িত্ব পালন করছেন।
মোহাম্মদ তাহের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের পশ্চিম ডেকরা গ্রামে সৈয়দ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মাওলানা সৈয়দ মাজহারুল হক হায়দারি ছিলেন একজন ইসলামী ধর্মীয় প্রচারক, বক্তা ও পণ্ডিত। তার মা, আকসির-ই-জাহান চৌধুরানী, চট্টগ্রামের 'কাশগর' মুসলিম জমিদার পরিবারের সদস্য। ডাঃ তাহেরের পাঁচ ভাই ও তিন বোন। তিনি পঞ্চম শ্রেণী ও অষ্টম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুলে সরকারী বৃত্তি লাভ করেন। বৃহত্তর কুমিল্লা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেন এবং চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ১৯৭৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত জিএস ছিলেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডাঃ হাবিবা আক্তার চৌধুরী (এমবিবিএস,এম-ফিল) -এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। যিনি ঢাকার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের রেডিওলজি ও ইমাজিং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ফুলসুতি ফরিদপুরের একটি প্রভাবশালী পরিবার থেকে এসেছেন। দম্পতির তিন মেয়ে এবং একটি ছেলে আছে।
তিনি কলেজ জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। তিনি সংগঠনে যোগদানের দুই বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের 'সদস্য' হন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখা সভাপতি ও ঢাকা শহর শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে অধ্যয়নের সময় তাহের ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের (ঢামেকসু) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি কুমিল্লা এসোসিয়েশন ফর মেডিকেল স্টুডেন্টস এর সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হন এবং অবশেষে ১৯৮৫-৮৬ এবং ১৯৮৬-৮৭ সেশনে কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসাবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী