📋 জীবনী
নিপুন রায় চৌধুরী (জন্ম ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০) হলেন একজন বাংলাদেশী আইনজীবী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এর পুত্রবধু।।
শৈশব জীবন
১৯৮০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের মাগুরা জেলায় রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করা নিপুণ রায় চৌধুরী পেশায় একজন আইনজীবী। রাজনৈতিক পরিবারে বিয়ে হওয়ায় তিনি প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে সক্রিয়। ইডেন মহিলা কলেজের সাবেক এই শিক্ষার্থী ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয়। নিপুন রায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধু।
২০২৬ সালের বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন ২০২৬ে তার শ্বশুর গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৩ আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। একই নির্বাচনে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করে নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরা-২ আসন থেকে নির্বাচিত হন এবং পরে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত হন। তার দুই ভাই আছে। তার ভাই দেবাশিস রায় চৌধুরী বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি হিসেবে কর্মরত আছেন। তার আরেক ভাই মিঠুন রায় চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মাগুরা জেলা ইউনিটের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কর্মজীবন
নিপুন ঢাকা জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সম্পাদক। তিনি বিএনপির দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ শাখার সভাপতিও। ২০২১ সালের ১৮ মার্চ, আরমান নামক এক বিএনপি কর্মীর সাথে তার একটি কথিত টেলিফোন কথোপকথন অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিপুনকে ঢাকার রায়েরবাজারে তার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে। আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিল যে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ডাকা হরতালের জেরে তিনি আরমানকে একটি বাসে আগুন লাগিয়ে দিতে বলেছিলেন। বেআইনি সমাবেশ, গুরুতর আঘাত এবং হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা আরেকটি মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০২১ সালের ১৬ জুন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাকে জামিন মঞ্জুর করে এবং দুই দিন পর তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর, ঢাকার নয়া পল্টনে বিএনপির একটি সমাবেশের আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকায় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেনের বাসভবনে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রমনা মডেল থানা এবং পল্টন মডেল থানায় ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাতটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলোতে নিপুনের নাম ছিল। পরে তিনি হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পান। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, তিনি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানির পর, আদালত ২০২৪ সালের ২৪ মার্চ তাকে সাতটি মামলায় জামিন মঞ্জুর করে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল