📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
মোঃ মনিরুল হক চৌধুরী

মোঃ মনিরুল হক চৌধুরী

Mnirul Hk Choudhuri
🏛️ সংসদ সদস্য (কুমিল্লা-৬ আসন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
💼 ব্যবসা 📅 ১৬ জুলাই ১৯৪৭, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ 🌍 বাংলাদেশি

✨ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মোঃ মনিরুল হক চৌধুরী — সংসদ সদস্য (কুমিল্লা-৬ আসন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ)

📋 জীবনী

মনিরুল হক চৌধুরী একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। তিনি কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য। পূর্বে তিনি কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন

মনিরুল হক চৌধুরী ১৯৪৬ সালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলা নোয়গ্রাম নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন

মনিরুল হক চৌধুরী ১৯৭৪ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৮৮ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মনোনয়নে কুমিল্লা-৯ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় নির্বাচনে তিনি একই আসন থেকে জাতীয় পার্টির হয়ে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন। পরে তিনি জাতীয় পার্টি হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি থেকে বিএনপির মনোনয়নে কুমিল্লা-৯ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমন্বয়ক তিনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন তিনি। তিনি ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা-৬ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

পারিবারিক জীবন

মনিরুল হক চৌধুরী আজিজুন্নেসাকে বিয়ে করেন। এই দম্পতীর ৪ সন্তান।

সমালোচনা ও বিতর্ক

১৪ জুন ২০২৬ সালে, জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াতে ইসলামীর নারী সংসদ সদস্যদের হিজাব, নিকাব ও পর্দা নিয়ে বিতর্কিত ও কটাক্ষমূলক মন্তব্য করেন। সম্পূরক বাজেটের আলোচনায় তিনি বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের স্ত্রীর পোশাক নিয়ে মন্তব্য করাসহ মুখ ঢাকা থাকার কারণে নারী এমপিদের চেনা যায় না বলে উল্লেখ করেন। এর ফলে সংসদে তীব্র বাগবিতণ্ডা ও হট্টগোল সৃষ্টি হলে ডেপুটি স্পিকার উক্ত আপত্তিকর বক্তব্য সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) দেওয়ার নির্দেশ দেন।

==== প্রতিবাদ ও কর্মসূচি ==== এই ঘটনার পর সংসদের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন দল ও সংগঠন নানা প্রতিবাদ ও কর্মসূচি ঘোষণা করে:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: দলটির পক্ষ থেকে একে ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও সংসদীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির: ঘটনার প্রতিবাদে ছাত্রশিবির রাতেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং অবিলম্বে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম দিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে। জাতীয় নাগরিক পার্টি: বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এই বক্তব্যকে "হীন ও বর্ণবাদী আচরণ" আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানান। সাধারণ আলেম সমাজ: আলেম সমাজের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়।

১৫ জুন ২০২৬ সালে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার সাথে মনিরুল হক চৌধুরীর মুঠোফোনে কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরায় তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। ভিডিওটিতে তাকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উন্নয়ন ও বাজেট বরাদ্দ নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে কলেজে ইসলামের ইতিহাস এবং মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাস বিষয়গুলো পড়ানোর তীব্র বিরোধিতা করতে শোনা যায়। তিনি কলেজের অধ্যক্ষকে বিষয়গুলো না পড়ানোর নির্দেশ দেন উল্লেখ করে এই বিভাগগুলো কলেজ থেকে সম্পূর্ণ দূর করার দাবি জানান এবং এগুলোকে আলাদা ‘চিড়িয়াখানায়’ ঢুকিয়ে দেওয়ার মন্তব্য করেন। একই সাথে বিষয়টির জন্য তিনি সংসদে বাজেটে আলাদা প্রস্তাব দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

📤 শেয়ার: 📘 Facebook 💬 WhatsApp
🤖