📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)

Kaji Shah Mofajjal Hosain
🏛️ প্রতিমন্ত্রী (ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়) | সংসদ সদস্য (কুমিল্লা-৩ আসন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
💼 ব্যবসা 📅 ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ 🌍 বাংলাদেশি

✨ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) — মন্ত্রী

📋 জীবনী

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ (জন্ম: ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬) হলেন একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ। তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কুমিল্লা-৩ আসন থেকে ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার পর থেকে দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করছিলেন। ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি দেশে ফিরে আসেন।

প্রাথমিক জীবন

কায়কোবাদ ১৯৫৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরে জন্মগ্রহণ করেন

রাজনৈতিক জীবন

কায়কোবাদ জাতীয় পার্টির মনোনয়নে ১৯৮৬ সালে ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম বার এবং ১৯৮৮ সালে দ্বিতীয় বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২ মে ১৯৯০ থেকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের ধর্মপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করলে, তিনি বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলামের নিকট পরাজিত হন। ১২ জুন ১৯৯৬ সালের ৭ম জাতীয় সংসদের তিনি জাতীয় পার্টি কুমিল্লা-৩ আসন থেকে থেকে আবারও সংসদ সদস্য হন। এরপর তিনি জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন এবং জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়নে ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ৩ আগস্ট ২০০২ থেকে ১ জুলাই ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের ধর্মপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে কায়কোবাদ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ পান। তিনি ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা-৩ আসন থেকে ষষ্ঠবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাকে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় ধর্মমন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়।

গ্রেনেড হামলার মামলা

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার গ্রেনেড হামলা হয়, যাতে দুটি মামলা হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মামলার নতুন চার্জশীট দাখিল করে। চার্জশীটে ৫২ জনকে আসামি করা হয়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর মামলার রায় হয়। রায়ে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ও কায়কোবাদসহ ১৯ জলের যাবজ্জীবন হয়। কায়কোবাদ ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডে এবং ২০১৫ সালে দুবাইয়ে চলে যান। ১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে হাইকোর্টের আপিল বিভাগ তাকেসহ অন্য সব আসামিকে খালাস প্রদান করেন।

📤 শেয়ার: 📘 Facebook 💬 WhatsApp
🤖