📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
মোঃ আমির হামজা

মোঃ আমির হামজা

Amir Hamza Kushtia
🏛️ সংসদ সদস্য (কুষ্টিয়া-৩ আসন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ)
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
💼 ব্যবসা 📅 ২৮ অক্টোবর ১৯৯২, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ 🌍 বাংলাদেশি

✨ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মোঃ আমির হামজা — সংসদ সদস্য (কুষ্টিয়া-৩ আসন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ)

📋 জীবনী

মুফতি আমির হামজা (জন্ম: ২৮ অক্টোবর ১৯৯২) একজন বাংলাদেশী ইসলামি বক্তা, দাঈ, লেখক, রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তার বিরুদ্ধ ইসলামের অপব্যাখ্যা ও উগ্রবাদ ছড়ানো এবং চরমপন্থী শিক্ষাপ্রচারের অভিযোগ ছিল। তিনি ওয়াজ মাহফিলে একাধিকবার বিতর্কিত বক্তব্য প্রদান করে দেশজুড়ে সমালোচিত হন এবং ক্ষমা চান। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

প্রারম্ভিক জীবন

আমির হামজা ১৯৯২ সালের ২৮ অক্টোবর কুষ্টিয়া জেলার সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড ডাবিরাভিটায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুহাম্মাদ রিয়াজ উদ্দিন একজন কৃষক ছিলেন। আমির হামজা ছোটবেলায় সর্বপ্রথম কুরআনের হেফজ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি কুষ্টিয়া জেলার একটি কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে ইফতাহ সম্পন্ন করেন, এইজন্য তাকে মুফতি উপাধি দেওয়া হয়। তবে তিনি কওমি মাদ্রাসার পাশাপাশি আলিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা চালিয়ে যান। আলিয়া মাদ্রাসা থেকে আলিম শ্রেনী সম্পন্ন করার পরে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব অনুষদের আল কুরআন ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। সেখান থেকেই স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পড়াশোনা শেষে তিনি ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে দাওয়াতের কাজ শুরু করেন।

রাজনৈতিক জীবন

২০২৫ সালে তাকে জামায়াতে ইসলামী কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কুষ্টিয়া-৩ আসনের ‘সম্ভাব্য প্রার্থী’ হিসেবে ঘোষণা করে। পরবর্তীতে তিনি ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কুষ্টিয়া-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

অভিযোগ ও মামলা

২০২০ সালের ২৪ অক্টোবর কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপপরিদর্শক মো. মোকলেছুর রহমান তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। তিনি দাবী করেন, হামজা নিরীহ নাগরিকদের রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছেন এবং জিহাদে অংশগ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করছেন। ২০২১ সালে বাংলাদেশ পুলিশ দাবী করে, এই বক্তা ওয়াজ মাহফিলে বিভ্রান্তিকর ও উগ্রবাদী তথ্য ছড়িয়েছেন। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে শেখ হাসিনার দ্বাদশ সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক একটি শাখা ১৫ জন ইসলামি বক্তার একটি তালিকা করেন, এরমধ্যে মাহমুদুল হাসান গুনবী ও আমির হামজার উল্লেখ ছিলো। ২০২১ সালের ২৪ মে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট সন্ত্রাসবিরোধী একটি মামলায় তাকে নিজ গ্রাম কুষ্টিয়ার ডাবিরাভিটা থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের পর ৩১ মে থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দী ছিলেন। তিনি ৯২৫ দিন কারাগারে থাকার পর ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর জামিনে মুক্তি লাভ করেন। ২০২৪ সালের ২৮ মার্চে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়, বলা হয় তিনি জননিরাপত্তার অবনতি ও ইসলামি শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতেন। ২১ আগস্ট ২০২৪ সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে ওয়াজ করার অভিযোগ করেন এবং তদন্ত শুরু করেন। মন্ত্রণালয় আরো বলেন, তিনি শ্রমিকদের মধ্যে চরমপন্থী শিক্ষার প্রচার করেছিলেন।

প্রকাশনা

নামাজ আদায় পদ্ধতি (২০১৫, তাহযীব প্রকাশন) মুসলমান কখন কাফের হয়? (২০১৭, তাহযীব প্রকাশন) ঈমান আনার পদ্ধতি (২০১৯, তাহযীব প্রকাশন) কোন আমলে কোন জান্নাত, কোন কারণে কোন জাহান্নাম (২০১৯, তাহযীব প্রকাশন) ৬ জন জান্নাতী আদর্শ নারী (২০২১, তাহযীব প্রকাশন)

পূর্বসূরী: মাহবুবউল আলম হানিফ

📤 শেয়ার: 📘 Facebook 💬 WhatsApp
🤖