📌 চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয় শিক্ষক বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিজ্ঞানীরা এই স্বীকৃতি পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর ছয় শিক্ষক বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসের এলসেভিয়ার যৌথভাবে প্রকাশিত এই তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। গত বছর চুয়েটের চার শিক্ষক এই তালিকায় ছিলেন, এবার সংখ্যা বেড়ে ছয় হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটের ৬ শিক্ষক বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন
- 📌 পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩জন, রসায়ন বিভাগ থেকে ১জন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও যন্ত্রকৌশল বিভাগ থেকে যথাক্রমে ১জন করে শিক্ষক
- 📌 পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে ১ হাজার ৪১৮তম, মো. মহিউদ্দিন ৪ হাজার ৫৪১তম, মো. মুক্তার হোসাইন ৫ হাজার ১১৯তম অবস্থানে
- 📌 রসায়ন বিভাগের ইউনুস আহমেদ সাধারণ রসায়নে ৪২৬তম, সুমিত মজুমদার বিশ্লেষণাত্মক রসায়নে ৯৪১তম, মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া নির্ভরযোগ্য শক্তিতে ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে
- 📌 গবেষণাপত্রের সংখ্যা: মো. আশরাফ আলী ৮৮টি, ইউনুস আহমেদ ৩৪টি, মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া ৪৪টি
📰 বিস্তারিত
স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ারের বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিংয়ে চুয়েটের শিক্ষকদের নাম উঠেছে। গবেষণার প্রভাব, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহলেখকের সংখ্যা ও গবেষণাপত্রের সংখ্যা বিবেচনা করে এই তালিকা তৈরি করা হয়। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে ৮৮টি গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে ১ হাজার ৪১৮তম অবস্থানে রয়েছেন। একই বিভাগের অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিন ৮৭টি গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে ৪ হাজার ৫৪১তম অবস্থানে অবস্থান করছেন। অধ্যাপক মো. মুক্তার হোসাইন ৮১টি গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে ৫ হাজার ১১৯তম অবস্থানে রয়েছেন।
রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ইউনুস আহমেদ ৩৪টি গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে সাধারণ রসায়নে ৪২৬তম অবস্থানে রয়েছেন। বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমিত মজুমদার ২০টি গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে বিশ্লেষণাত্মক রসায়নে ৯৪১তম অবস্থানে অবস্থান করছেন। যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া ৪৪টি গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে নির্ভরযোগ্য শক্তিবিষয়ক উপক্ষেত্রে ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে রয়েছেন।
অধ্যাপক মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘এটা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। চুয়েটের শিক্ষক হিসেবে এই স্বীকৃতি পাওয়াই একটি বড় অর্জন। আমি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে গবেষণা করছি, যা বর্তমান বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অর্জন চুয়েটকে আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।’
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী বলেছেন, ‘এটি মূলত আমার কাজের স্বীকৃতি। যেকোনো কাজের স্বীকৃতি পেতে ভালো লাগে। এসব স্বীকৃতি গবেষণায় উৎসাহ দেয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিংয়ে অবদান রাখে।’
"এটা নিঃসন্দেহে অনেক বড় অর্জন। চুয়েটের শিক্ষক হিসেবে এমন স্বীকৃতি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। আমি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে গবেষণা করছি, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এসব অর্জন চুয়েটকে আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আশরাফ আলী, মো. মহিউদ্দিন, মো. মুক্তার হোসাইন, ইউনুস আহমেদ, সুমিত মজুমদার, মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (শিক্ষক), ২ (শতাংশ), ৮৮ (গবেষণাপত্র), ৪২৬ (রসায়ন বিভাগের অবস্থান), ৭ হাজার ৩৫০ (শক্তি বিভাগের অবস্থান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!