📌 বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) ঢাকার নিশাতনগরে ১৫ বিঘা জমিতে গড়ে উঠেছে। ৭টি অনুষদ, ২৪টি শিক্ষা প্রোগ্রাম ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ফ্যাশন ও প্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে জোর দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি
বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) ঢাকার নিশাতনগরে তুরাগ নদের পাড়ে অবস্থিত একটি আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ফ্যাশন, পোশাকশিল্প, ব্যবসা ও প্রযুক্তির সাথে উচ্চশিক্ষার সফল সংযোগ গড়ে তুলেছে। ১৫ বিঘা জমিতে গড়ে উঠা এই ক্যাম্পাসে সবুজ পরিবেশ ও আধুনিক অবকাঠামো শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আদর্শ শিক্ষা পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিইউএফটি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত, ২০১২ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত
- 📌 বর্তমানে ৭টি অনুষদ, ১২টি বিভাগ ও ১টি ইনস্টিটিউটের অধীনে ২৪টি শিক্ষা প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে
- 📌 স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ফ্যাশন ডিজাইন, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিংসহ ১০টি বিষয়ে পড়ার সুযোগ
- 📌 ৭২টি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ ও ৪৩টি ল্যাবরেটরি, ক্যাড স্টুডিও, ফ্যাব্রিক টেস্টিং ল্যাবসহ সুবিধাসমৃদ্ধ
- 📌 ২৮ জন পিএইচডিধারী শিক্ষক ও ২৪৫ জন শিক্ষকবৃন্দের অধীনে গবেষণা ও শিক্ষা কার্যক্রম চলছে
- 📌 ১৪টি দেশের ৭৮টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, চীন, জার্মানি ও মালয়েশিয়ার সাথে সহযোগিতা
- 📌 ২৩টি সক্রিয় ছাত্র ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের জন্য শতভাগ বৃত্তি, অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ব্যবস্থা
- 📌 ১৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে সাবেক শিক্ষার্থী, বিদেশের ছয়টি দেশের শিক্ষার্থী বর্তমানে অধ্যয়নরত
📰 বিস্তারিত
বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) ঢাকার নিশাতনগরে অবস্থিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ফ্যাশন ও পোশাকশিল্পের সাথে উচ্চশিক্ষার সফল সংযোগ গড়ে তুলেছে। ২০০০ সালে বিজিএমইএ ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ২০১২ সালে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টি ৭টি অনুষদ, ১২টি বিভাগ ও ১টি ইনস্টিটিউটের অধীনে ২৪টি শিক্ষা প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্নাতক পর্যায়ে অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং, অ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচারিং, বিবিএ, সিএসই, ইংরেজি, পরিবেশবিজ্ঞান, ফ্যাশন ডিজাইন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং, নিটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং, ইংরেজি, ফ্যাশন ডিজাইন ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রম রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং, নিটওয়্যার মার্চেন্ডাইজিং, ওভেন গার্মেন্টস মার্চেন্ডাইজিংসহ ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্সেও শিক্ষার্থীদের সুযোগ রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের বাইরে কারখানা পরিদর্শন, ইন্টার্নশিপ ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পান। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৭২টি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ ও ৪৩টি ল্যাবরেটরি রয়েছে। এছাড়াও ফ্যাশন ও পোশাকশিল্পের শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যাড স্টুডিও, ফ্যাব্রিক ও গার্মেন্ট টেস্টিং ল্যাব, ফটোগ্রাফি ও প্রোডাকশন স্টুডিওসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনের সুবিধার জন্য জিমনেসিয়াম, সুইমিংপুল, মেডিকেল সেন্টার, ক্যাফেটেরিয়া, ছাত্রী হোস্টেল ও ওয়াই-ফাই সুবিধা প্রদান করা হয়।
"বিশ্ববিদ্যালয়টি ফ্যাশন ও প্রযুক্তির সাথে উচ্চশিক্ষার সফল সংযোগ গড়ে তুলেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার নিশাতনগর, তুরাগ নদের পাড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষকবৃন্দ (২৪৫ জন), পিএইচডিধারী শিক্ষক (২৮ জন), শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বিঘা জমি, ৭টি অনুষদ, ১২টি বিভাগ, ২৪টি শিক্ষা প্রোগ্রাম, ৭২টি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ, ৪৩টি ল্যাবরেটরি, ১৪টি দেশের অংশীদারিত্ব
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!