📌 বাংলাদেশি ব্র্যান্ড সিম্ফনি ১৪ কোটি গ্রাহক অর্জন করে নতুন মাইলফলক ছাড়ল। এডিসন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া শাহিদ জানান, গ্রাহক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সাশ্রয়ী প্রযুক্তি সরবরাহে ব্র্যান্ডের অগ্রযাত্রা অব্যাহত। অভিনয়শিল্পী তৌসিফ মাহবুবও স্মরণ করলেন ২০০৯ সালে সিম্ফনি ফোন কিনতে টিউশনি করার কাহিনি
বাংলাদেশের মুঠোফোন বিপ্লবে নতুন মাইলফলক ছাড়ল দেশি ব্র্যান্ড সিম্ফনি। ১৪ কোটি গ্রাহক অর্জন করে এই ব্র্যান্ড বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুঠোফোন ব্র্যান্ডের মর্যাদা পেয়েছে। রাজধানীর হলিডে ইনে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে এই মাইলফলক উদযাপিত হয়। সিম্ফনির যাত্রা শুরু হয় ২০০৮ সালে এবং স্বল্প মূল্যে মোবাইল সরবরাহের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৪ কোটি গ্রাহক অর্জন**: সিম্ফনি বাংলাদেশের প্রথম মুঠোফোন ব্র্যান্ড হিসেবে ১৪ কোটি গ্রাহক পেরিয়ে নতুন মাইলফলক ছাড়ল।
- 📌 **স্মৃতিচারণের অনুষ্ঠান**: অভিনয়শিল্পী তৌসিফ মাহবুব স্মরণ করলেন ২০০৯ সালে সিম্ফনি ফোন কিনতে টিউশনি করার কাহিনি।
- 📌 **সাশ্রয়ী প্রযুক্তির লক্ষ্য**: এডিসন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া শাহিদ বলেন, বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের তুলনায় সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চমানের প্রযুক্তি সরবরাহের লক্ষ্যে ব্র্যান্ডের অগ্রযাত্রা অব্যাহত।
- 📌 **বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের গর্ব**: জাকারিয়া শাহিদ সিম্ফনিকে সত্যিকারের বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
- 📌 **গ্রাহকদের আবেগ**: সিম্ফনির সেলস ও মার্কেটিং পরিচালক মোহাম্মদ আবু সায়েম বলেন, ১৪ কোটি গ্রাহক বাংলাদেশের আনাচকানাচে মোবাইল সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ব্র্যান্ডের উদ্যোগের সফলতা।
- 📌 **পুরস্কৃত গ্রাহক**: ময়মনসিংহের মাফিজা খাতুনসহ তিনজন গ্রাহককে সিম্ফনি পুরস্কৃত করে।
📰 বিস্তারিত
সিম্ফনি ২০০৮ সালে বাংলাদেশি মালিকানাধীন একটি ব্র্যান্ড হিসেবে যাত্রা শুরু করে। স্বল্প মূল্যে মোবাইল সরবরাহের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি, ২০১২ সালে কম দামের অ্যান্ড্রয়েড ফোন বাজারে আনে। বর্তমানে ব্র্যান্ডটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক সাশ্রয়ী প্রযুক্তি সরবরাহের লক্ষ্যে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অভিনয়শিল্পী তৌসিফ মাহবুব নিজের পুরোনো স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালের জুন-জুলাই মাসে আমি সিম্ফনি মোবাইল কিনতে টিউশনি করে টাকা জমিয়েছিলাম। ৭ হাজার ৯০০ টাকা দিয়ে সিম্ফনি এক্সপ্লোরার ডব্লিউ টেন ফোনটি কিনি। সেই অনুভূতি আমার জন্য বিশেষ ছিল।’
এডিসন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সিম্ফনি মোবাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকারিয়া শাহিদ বলেন, ‘১৯৯৯ সাল থেকে আমি এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত। তখন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো ছিল। আমরা উপলব্ধি করেছিলাম, সেগুলো ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। ব্যাটারি লাইফ, সাউন্ড, স্পিকারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে গ্রাহকের নানা প্রত্যাশা ছিল। গ্রাহকের সেই প্রত্যাশা পূরণের চিন্তা থেকেই সিম্ফনির যাত্রা শুরু হয়।’
জাকারিয়া শাহিদ আরও বলেন, ‘মেমোরি, চিপসেট, কম্পোনেন্ট বাড়ার কারণে বৈশ্বিকভাবে মুঠোফোনের দাম বাড়ছে। কিন্তু আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি, যাতে এই বাড়তি দামের বোঝা ক্রেতাদের ওপর না পড়ে। সিম্ফনি সত্যিকারের বাংলাদেশি ব্র্যান্ড। এতে আমাদের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। আমাদের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’
সিম্ফনির সেলস ও মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সায়েম বলেন, ‘সিম্ফনি বাংলাদেশে একটা আবেগের নাম। ২০০৮ সালে ব্র্যান্ডটির যাত্রা শুরু হয়, তখন প্রথম উদ্দেশ্যই ছিল বাংলাদেশের আনাচকানাচে মোবাইল সেবা পৌঁছে দেওয়া। এই ১৪ কোটি ক্রেতার মাধ্যমে আমার মনে হয় আমরা সেটা করতে পেরেছি।’
"২০০৯ সালের জুন-জুলাই মাসে আমি সিম্ফনি মোবাইল কিনতে টিউশনি করে টাকা জমিয়েছিলাম। ৭ হাজার ৯০০ টাকা দিয়ে সিম্ফনি এক্সপ্লোরার ডব্লিউ টেন ফোনটা কিনি। সেই অনুভূতি আমার জন্য বিশেষ ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা (হলিডে ইন), ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকারিয়া শাহিদ, তৌসিফ মাহবুব, মোহাম্মদ আবু সায়েম, মাফিজা খাতুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ কোটি গ্রাহক, ৭ হাজার ৯০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!