📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির দাবি, বিডিজবস অস্বীকার করলেও উদ্বেগ রয়ে গেল

ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির দাবি, বিডিজবস অস্বীকার করলেও উদ্বেগ রয়ে গেল

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ডার্ক ওয়েবের একটি বিজ্ঞাপনে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির দাবি তুলেছে হ্যাকার গোষ্ঠী। বিডিজবস জানিয়েছে তাদের তথ্য ফাঁস হয়নি, তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন। ডার্ক ওয়েবের বৈধ ও অবৈধ ব্যবহারের পার্থক্য নিয়ে বিশদ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে

গতকাল রোববার প্রথম আলো অনলাইনের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয় যে, ডার্ক ওয়েবের একটি বিজ্ঞাপনে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির দাবি তুলেছে হ্যাকার গোষ্ঠী ‘ম্যাডরক্স’। তাদের দাবি অনুসারে, এসব তথ্য বাংলাদেশের জনপ্রিয় চাকরির প্ল্যাটফর্ম বিডিজবসের ডেটাবেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের তথ্য ফাঁসের কোনো প্রমাণ নেই এবং ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডার্ক ওয়েবের বিজ্ঞাপনে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির দাবি তুলেছে হ্যাকার গোষ্ঠী ‘ম্যাডরক্স’
  • 📌 বিডিজবস দাবি করেছে তাদের তথ্য ফাঁস হয়নি, তবে হ্যাকিংয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না
  • 📌 ডার্ক ওয়েব হলো ইন্টারনেটের এমন একটি অংশ যা সাধারণ ব্রাউজারে পাওয়া যায় না
  • 📌 ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে বৈধ ও অবৈধ উভয় ধরনের তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব

📰 বিস্তারিত

গতকাল রোববার প্রথম আলো অনলাইনের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয় যে, ডার্ক ওয়েবের একটি বিজ্ঞাপনে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির দাবি তুলেছে হ্যাকার গোষ্ঠী ‘ম্যাডরক্স’। তাদের দাবি অনুসারে, এসব তথ্য বাংলাদেশের জনপ্রিয় চাকরির প্ল্যাটফর্ম বিডিজবসের ডেটাবেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, তাদের তথ্য ফাঁসের কোনো প্রমাণ নেই এবং ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘বিডিজবস শুরু থেকেই ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। তথ্যের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল কে দেখতে পারবেন, কে পারবেন না—সে বিষয়েও বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রয়েছে।’

ডার্ক ওয়েব হলো ইন্টারনেটের এমন একটি অংশ, যা সাধারণ ওয়েব ব্রাউজার বা গুগল সার্চে সরাসরি পাওয়া যায় না। ইন্টারনেটের ওয়েব ব্যবস্থাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: সারফেস ওয়েব, ডিপ ওয়েব ও ডার্ক ওয়েব। সারফেস ওয়েব হলো প্রতিদিন ব্যবহৃত ওয়েবসাইট যেমন সংবাদপত্র, ইউটিউব, ফেসবুক ইত্যাদি। ডিপ ওয়েব হলো এমন ওয়েব আধেয় যা সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স করা থাকে না, যেমন ই-মেইল ইনবক্স বা অনলাইন ব্যাংকিং হিসাব। অন্যদিকে ডার্ক ওয়েব হলো ডিপ ওয়েবের একটি অংশ যা ইচ্ছাকৃতভাবে আড়ালে রাখা হয় এবং বিশেষ সফটওয়্যার বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এতে প্রবেশ করা যায়।

ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে বৈধ ও অবৈধ উভয় ধরনের তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব। তবে এর কুখ্যাতির প্রধান কারণ হলো অবৈধ পণ্য ও সেবার বেচাকেনা। সাধারণত মাদকদ্রব্য, চুরি করা তথ্য, চুরি হওয়া পাসওয়ার্ড, ই-মেইল অ্যাকাউন্ট, ব্যক্তিগত তথ্য, চুরি করা আর্থিক তথ্য, জাল নথি, ভুয়া পরিচয়পত্র, হ্যাকিং-সংক্রান্ত অবৈধ সেবা এবং জাল পণ্য ও অবৈধ আধেয় কেনাবেচা হয়ে থাকে। তবে ডার্ক ওয়েবের সব বিজ্ঞাপন সত্য নয়—এখানে ব্যাপক প্রতারণার ঘটনাও ঘটে থাকে।

"ডার্ক ওয়েব হলো ইন্টারনেটের এমন একটি অংশ, যা সাধারণ ওয়েব ব্রাউজার বা গুগল সার্চে সরাসরি পাওয়া যায় না। এটিতে সাধারণত বিশেষ নেটওয়ার্ক ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে যেতে হয়। ইন্টারনেটের ওয়েব ব্যবস্থাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: সারফেস ওয়েব, ডিপ ওয়েব ও ডার্ক ওয়েব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বিডিজবস প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ লাখ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖