📌 বিটোপিয়া গ্রুপ প্রথম আলোর ফ্রিল্যান্সিং খাত সম্পর্কিত প্রতিবেদনকে অনুমাননির্ভর অভিযোগ বলে প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ মিথ্যা এবং প্রতিষ্ঠান কর্মিবান্ধব
বিটোপিয়া গ্রুপ প্রথম আলোর ২৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ফ্রিল্যান্সিং খাত সম্পর্কিত প্রতিবেদনকে মিথ্যা অভিযোগ বলে প্রতিবাদ জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ অনুমাননির্ভর এবং সত্য নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর ফ্রিল্যান্সিং প্রতিবেদনকে বিটোপিয়া গ্রুপ মিথ্যা বলে প্রতিবাদ করেছে।
- 📌 প্রতিবেদনে উল্লেখিত মূল পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র জব্দের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
- 📌 কোনো কর্মীর অজ্ঞাতসারে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়নি— প্রতিটি ক্ষেত্রে লিখিত সম্মতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি।
- 📌 কর্মীদের শারীরিক নির্যাতন বা মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ অসত্য বলে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
- 📌 প্রতিযোগীদের ক্ষতি করার জন্য ভুয়া অর্ডার বা নেতিবাচক রিভিউ প্রদানের অভিযোগও প্রতিষ্ঠানটি নাকচ করেছে।
📰 বিস্তারিত
বিটোপিয়া গ্রুপ প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগসমূহকে অনুমাননির্ভর বলে প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, প্রতিবেদনে উল্লেখিত যে কোনো অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। বিশেষত, কর্মীদের মূল পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র জমা রাখার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তারা বলেছে, প্রতিষ্ঠানে কোনো কর্মীর মূল পরিচয়পত্র জমা রাখা হয় না—কেবল যাচাইয়ের জন্য ফটোকপি সংরক্ষণ করা হয়।
প্রতিবাদে বিটোপিয়া গ্রুপ আরও জানিয়েছে, কোনো কর্মীর অজ্ঞাতসারে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়নি। প্রতিটি ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মীর লিখিত সম্মতি নেওয়া হয়েছে। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানের নামে নিবন্ধিত এজেন্সি প্রোফাইলের মাধ্যমে, যা সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব এজেন্সি নীতিমালা অনুসারে গঠিত ও পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিযোগীদের ক্ষতি করার জন্য ভুয়া অর্ডার, পরিকল্পিত রিফান্ড বা নেতিবাচক রিভিউ প্রদানের অভিযোগও বিটোপিয়া গ্রুপ নাকচ করেছে। তারা বলেছে, প্রতিষ্ঠানে এমন কোনো কার্যক্রম কখনো অনুমোদিত হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি নিজেকে কর্মিবান্ধব বলে পরিচয় দিয়েছে, যেখানে নতুন ও তরুণ পেশাজীবীদের কাজের সুযোগ তৈরি করা হয়।
বিটোপিয়া গ্রুপ আরও দাবি করেছে, কোনো কর্মীকে কক্ষে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো ফ্রিল্যান্সারের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক বা মিথ্যা কোনো মামলা বা অভিযোগ করা হয়নি। তারা বলেছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানি বা জেলে পাঠানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
"প্রতিবেদনে উল্লেখিত অভিযোগসমূহ অনুমাননির্ভর এবং সত্য নয়। কোনো কর্মীর মূল পরিচয়পত্র জমা রাখা হয় না, কেবল ফটোকপি সংরক্ষণ করা হয়। প্রতিটি কর্মীর লিখিত সম্মতি নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (প্রতিবাদ বিবৃতি প্রকাশিত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিটোপিয়া গ্রুপের প্রধান নির্বাহী ও কর্মীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ সেপ্টেম্বর (প্রতিবেদনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!