📌 বেসিস অভিযোগ করেছে, বিটোপিয়া ও এর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার, কাজের নিয়ন্ত্রণ ও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তের আগে কাউকে দোষী না করার আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি ফ্রিল্যান্সিং খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা চিহ্নিত করে সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ‘জাতীয় ফ্রিল্যান্সিং ও মার্কেটপ্লেস পরিচালনা কাঠামো’ তৈরির দাবি করেছে
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং খাতের একটি প্রধান প্ল্যাটফর্ম বিটোপিয়া ও এর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার, কাজের আদেশ ও মূল্যায়ন নিয়ন্ত্রণ, নীতিমালা লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তদন্তের আগে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ‘জাতীয় ফ্রিল্যান্সিং ও মার্কেটপ্লেস পরিচালনা কাঠামো’ তৈরির দাবি করেছে। শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনের বেসিস মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিটোপিয়া ও এর কার্যক্রমে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার, কাজের আদেশ ও মূল্যায়ন নিয়ন্ত্রণ, নীতিমালা লঙ্ঘনসহ ৫টি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে বলে অভিযোগ করেছে বেসিস।
- 📌 তদন্তের আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দোষী সাব্যস্ত না করার আহ্বান জানিয়ে বেসিস বলেছে, অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সদস্য হলে সদস্যপদ সাময়িক স্থগিতের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
- 📌 ফ্রিল্যান্সিং খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা চিহ্নিত করে বেসিস বলেছে, একজন স্বাধীন পেশাজীবীর নামে তৈরি অনলাইন কর্মবাজারের হিসাবের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ কার কাছে থাকবে, তা স্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।
- 📌 সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ‘জাতীয় ফ্রিল্যান্সিং ও মার্কেটপ্লেস পরিচালনা কাঠামো’ তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বেসিস।
- 📌 বেসিসের সহায়ক কমিটির সদস্য ও ট্রাস্ট-আইটি (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ জুয়েল সংবাদ সম্মেলনে বেসিসের লিখিত বক্তব্য পড়েছেন।
📰 বিস্তারিত
বেসিসের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, বিটোপিয়া ও এর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে হিসাব পরিচালনা, ব্যক্তিগত পরিচয় বা তথ্য ব্যবহার, কাজের আদেশ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাপনা, কর্মী ও স্বাধীন পেশাজীবীদের হিসাব নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারের নীতিমালা লঙ্ঘন। বেসিসের ভাষ্য, যথাযথ তদন্ত ছাড়া এসব অভিযোগের সত্যতা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
বেসিসের মতে, বাংলাদেশের স্বাধীন পেশাজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে দক্ষতা, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে দেশের ইতিবাচক অবস্থান তৈরি করেছেন। সংগঠনটি বলেছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে পুরো স্বাধীন পেশাজীবী সম্প্রদায় প্রশ্নবিদ্ধ হোক, তা চায় না। প্রতারণা, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার, ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার, ভুয়া কাজের আদেশ, কৃত্রিম মূল্যায়ন, অনলাইন বাজারে কারসাজি কিংবা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা লঙ্ঘনকে সমর্থন করে না বেসিস।
বেসিসের সহায়ক কমিটির সদস্য ও ট্রাস্ট-আইটি (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ জুয়েল সংবাদ সম্মেলনে বেসিসের লিখিত বক্তব্য পড়েছেন। তিনি বলেছেন, অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বেসিসের সদস্য হলে সংগঠনটির গঠনতন্ত্র, সদস্য আচরণবিধি ও প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি যাচাই করা হবে। প্রাথমিকভাবে গুরুতর অনিয়মের বিশ্বাসযোগ্য উপাদান পাওয়া গেলে সদস্যপদ সাময়িক স্থগিতের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সংশ্লিষ্ট সদস্য বা প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
"তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দোষী সাব্যস্ত না করার আহ্বান জানিয়েছে বেসিস। অভিযোগের ধরন ও সম্ভাব্য প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিষয়টি উপেক্ষার সুযোগ নেই বলেও মনে করে সংগঠনটি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, কারওয়ান বাজার, বিডিবিএল ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকৌশলী মোহাম্মদ জুয়েল (বেসিস সহায়ক কমিটির সদস্য ও ট্রাস্ট-আইটি (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি অভিযোগ (হিসাব পরিচালনা, তথ্য ব্যবহার, কাজের আদেশ, মূল্যায়ন নিয়ন্ত্রণ, নীতিমালা লঙ্ঘন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!