📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাবমেরিন কেবল ঘাটতি: বাংলাদেশে টেক জায়ান্টদের বিনিয়োগ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে কেন?

সাবমেরিন কেবল ঘাটতি: বাংলাদেশে টেক জায়ান্টদের বিনিয়োগ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে কেন?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশে সাবমেরিন কেবল ও ল্যান্ডিং স্টেশনের ঘাটতি এবং একক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকা সংযোগের কারণে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগে রুট ডাইভার্সিটি কমে যাচ্ছে। এতে টেক জায়ান্টদের বিনিয়োগ আকর্ষণে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে

দেশে সাবমেরিন কেবল ও ল্যান্ডিং স্টেশনের পর্যাপ্ত সংখ্যক অভাবে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগে বিকল্পের অভাব সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বা টেক জায়ান্টদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র দুটি সাবমেরিন কেবল রয়েছে, যার মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া মালিকানা রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক সংযোগে রুট ডাইভার্সিটি ও নির্ভরযোগ্যতার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **দুটি সাবমেরিন কেবল ও একক মালিকানায়** বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংযোগের রুট ডাইভার্সিটি ও নির্ভরযোগ্যতা কমে যাচ্ছে।
  • 📌 **টেক জায়ান্টদের বিনিয়োগ আকর্ষণে** একাধিক স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংযোগ, নিয়ন্ত্রক স্থিতিশীলতা ও দ্রুত অনুমোদন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।
  • 📌 **২০০৬ থেকে ব্যান্ডউইথের দাম** ৭৫ হাজার টাকা থেকে ৪ হাজার টাকায় নেমে এসেছে প্রতিযোগিতার কারণে।
  • 📌 **৭টি আইটিসি থাকলেও** মাত্র তিনটি আন্তর্জাতিক সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত।
  • 📌 **সাবমেরিন কেবলকে মূল সংযোগ** এবং আইটিসিকে ব্যাকআপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
  • 📌 **আঞ্চলিক ইন্টারনেট হাব** হিসেবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে একাধিক ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের সুযোগ রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

‘সবার জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট: টেক জায়ান্টদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে বাধা ও সমাধান কোথায়?’ শীর্ষক কর্মশালা ও আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলাদেশের ইন্টারনেট খাতের বর্তমান অবস্থা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছেন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীতে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) ক্লাব ভবনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি) এ কর্মশালা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের প্রজেক্ট লিড মাহমুদ শাহেদ বলেছেন, দেশে একাধিক সাবমেরিন কেবল ও ল্যান্ডিং স্টেশন না থাকায় আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগে পর্যাপ্ত বিকল্প তৈরি হচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো দেশে বিনিয়োগের আগে আন্তর্জাতিক সংযোগ, সাবমেরিন কেবল, ল্যান্ডিং স্টেশন, বিদ্যুৎ, নিয়ন্ত্রক কাঠামো সহ শতাধিক বিষয় বিবেচনা করে। মাহমুদ শাহেদ বলেন, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সংযোগের অন্যতম দুর্বলতা হলো—দেশে মাত্র দুটি সাবমেরিন কেবল থাকলেও দুটির মালিকানা একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে।

মাহমুদ শাহেদ আরও বলেন, বাংলাদেশে সাতটি আইটিসি থাকলেও এর মধ্যে কার্যত তিনটি আন্তর্জাতিক সাবমেরিন কেবলের সঙ্গে যুক্ত। ফলে আন্তর্জাতিক সংযোগের ক্ষেত্রে আরও বিকল্প ও রুট ডাইভার্সিটি তৈরির সুযোগ রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে সাবমেরিন কেবলকে মূল সংযোগ এবং আইটিসিকে ব্যাকআপ হিসেবে বিবেচনা করার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, মূল সংযোগে কোনো সমস্যা হলে আইটিসি বা স্থলভিত্তিক কেব্ল বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

মাহমুদ শাহেদ ২০০৬ সাল থেকে ব্যান্ডউইথের দামের পরিবর্তনের তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০০৬ সালে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের দাম ছিল প্রায় ৭৫ হাজার টাকা প্রতি এমবিপিএস। ২০০৮ সালে নতুন আইটিসি অপারেটর ও প্রথম সাবমেরিন কেব্ল চালুর পর দাম নেমে আসে প্রায় ২৭ হাজার টাকায়। পরবর্তী সময়ে আরও আইটিসি ও আইআইজি লাইসেন্স দেওয়ার ফলে প্রতিযোগিতা বাড়ে। ২০১১ সালে প্রতি এমবিপিএসের দাম প্রায় ১২ হাজার টাকা থাকলেও ২০১২ সালে তা প্রায় ৪ হাজার টাকায় নেমে আসে।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) কোষাধ্যক্ষ মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি বা দুটি সংযোগের ওপর নির্ভরশীলতা থাকলে আইএসপিগুলোর দর-কষাকষির সক্ষমতা কমে যায়। তিনি বলেন, একাধিক আন্তর্জাতিক উৎস থাকলে ব্যান্ডউইথের দাম কমানোর পাশাপাশি সংযোগের নির্ভরযোগ্যতাও বাড়ানো সম্ভব। মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আজকে দুইটা সাবমেরিন, চারটা, ছয়টা সাবমেরিন যখন হবে, তাদের সঙ্গে আমরা নেগোশিয়েট করতে পারব—প্রাইসিং আরও কম দাও, একই দামে আরও বেশি ব্যান্ড দাও।’

মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, সাশ্রয়ী ও অর্থবহ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক কানেকটিভিটি, দেশীয় ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক এবং লাস্ট মাইল—এই তিন স্তরে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ আইএসপিগুলোর জন্য কাঁচামালের মতো। এরপর ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তা বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছায় এবং শেষ পর্যন্ত লাস্ট মাইলের মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে যায়। ফলে শুধু আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের দাম কমালেই হবে না, দেশীয় ট্রান্সমিশন ও লাস্ট মাইলের ব্যয়ও কমাতে হবে।

মঈন উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে দেশটিকে আঞ্চলিক ইন্টারনেট ও ডেটা হাব হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, একাধিক ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা গেলে বাংলাদেশ থেকে ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমারসহ আশপাশের অঞ্চলে আন্তর্জাতিক সংযোগ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

"আজকে দুইটা সাবমেরিন, চারটা, ছয়টা সাবমেরিন যখন হবে, তাদের সঙ্গে আমরা নেগোশিয়েট করতে পারব—প্রাইসিং আরও কম দাও, একই দামে আরও বেশি ব্যান্ড দাও।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মহাখালী, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদ শাহেদ (মেটাকোর সাবকম লিমিটেড), মঈন উদ্দিন আহমেদ (আইএসপিএবি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ হাজার টাকা (২০০৬), ২৭ হাজার টাকা (২০০৮), ১২ হাজার টাকা (২০১১), ৪ হাজার টাকা (২০১২)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖