📌 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC) এবং এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড (EML) তিন বছরের জন্য খনিজ বালু শিল্পের গবেষণা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। নদী ও উপকূলীয় এলাকার বালুর সম্ভাবনা মূল্যায়নের জন্য যৌথ গবেষণা শুরু হবে
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC) এবং এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড (EML) দেশের খনিজ বালু শিল্পের গবেষণা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে তিন বছরের জন্য সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে। এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে নদী ও দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকাসহ ভোলা, পটুয়াখালী ও নোয়াখালীর বালুর সম্ভাবনাময় সম্পদগুলিকে শিল্পায়নের পথ খুলবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ৮ সেপ্টেম্বর BAEC ও EML সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে
- 📌 BAEC চেয়ারম্যান ড. এম. মঈনুল ইসলাম ও EML ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসাইন টিটু সমঝোতা স্বাক্ষর করেন
- 📌 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন
- 📌 সমঝোতার আওতায় নদী ও উপকূলীয় এলাকার বালুর নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হবে
- 📌 তিন বছরের প্রাথমিক মেয়াদে গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্যতা যাচাই করা হবে
- 📌 EML আধুনিক ড্রিল রিগ ও নৌযান সরবরাহ করবে এবং মাঠপর্যায়ের ব্যয় বহন করবে
- 📌 সমঝোতা কোনো ব্যবসায়িক চুক্তি নয়, শুধুমাত্র গবেষণা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে
📰 বিস্তারিত
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা জরুরি। এই সমঝোতার মাধ্যমে খনিজ বালুর সম্ভাবনাময় সম্পদের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্যতা যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি হয়েছে।’
সমঝোতার আওতায় BAEC-এর ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার জিওলজিক্যাল সায়েন্সেস (INGS) মাঠ ও পরীক্ষাগারভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কমিশন নিজস্ব সুবিধায় সংগৃহীত বালুর নমুনা বিশ্লেষণ করবে। অন্যদিকে, EML মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী আধুনিক হাইড্রলিক কোর ড্রিল রিগ ও নৌযান সরবরাহ করবে এবং মাঠপর্যায়ের টিমের সফর ব্যয় বহন করবে।
গবেষণার আওতায় খনিজ বালুর মিনারেলজি, জিওকেমিস্ট্রি, মেটালার্জি, খনিজ পৃথকীকরণ, গুণগত মান বিশ্লেষণ, আপগ্রেডেশন প্রযুক্তি এবং শিল্পে ব্যবহারযোগ্যতা নিয়ে যৌথ গবেষণা করা হবে। এছাড়া BAEC-এর প্রতিনিধিরা EML-এর অনুসন্ধান প্রকল্প ও খনিজ বালু প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট পরিদর্শন করতে পারবেন। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে গবেষণাগার ও সহযোগিতামূলক কার্যক্রমও পরিচালিত হবে।
"দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা জরুরি। এই সমঝোতার মাধ্যমে খনিজ বালুর সম্ভাবনাময় সম্পদের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্যতা যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি হয়েছে।"
সমঝোতা স্মারকের প্রাথমিক মেয়াদ তিন বছর। উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতির ভিত্তিতে পরবর্তী মেয়াদে এটি নবায়ন করা যাবে। উল্লেখ্য, এভারলাস্ট মিনারেলস বাংলাদেশের খনিজ বালু অনুসন্ধান ও খনন কার্যক্রমে কাজ করে আসছে। এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের খনিজ বালু শিল্পের সম্ভাবনাময় সম্পদ ব্যবহারের নতুন দিক উন্মোচন হতে পারে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ, ঢাকা; নদী ও দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা (ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন, BAEC চেয়ারম্যান ড. এম. মঈনুল ইসলাম, EML ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসাইন টিটু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ৩ বছর (সমঝোতার মেয়াদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!