📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এআই ছবি তৈরি করতে কেন লাগে এত পানি ও বিদ্যুৎ? ডেটা সেন্টারের গোপন খরচ

এআই ছবি তৈরি করতে কেন লাগে এত পানি ও বিদ্যুৎ? ডেটা সেন্টারের গোপন খরচ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এআই দিয়ে ছবি তৈরি করলে পর্দার পিছনে বিপুল পানি ও বিদ্যুৎ খরচ হয়। একটি ছবি তৈরিতে গড়ে ৫ থেকে ৬০ মিলিলিটার পানি লাগতে পারে, যা সাধারণ গুগল সার্চের তুলনায় অনেক বেশি। ডেটা সেন্টারগুলো সার্ভার ঠান্ডা রাখতে বাষ্পীভবন পদ্ধতি ব্যবহার করে, যা পানির অপচয় ঘটায়

স্মার্টফোনে কয়েকটি শব্দ লিখে দিলেই এআই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এক মুহুর্তে চমৎকার ছবি তৈরি করে দিতে পারে। কিন্তু এই সহজ কাজের পিছনে লুকিয়ে আছে বিপুল পরিমাণ পানি ও বিদ্যুৎ খরচের গোপন সত্য। একই সাথে ডেটা সেন্টারগুলো পানির অপচয় করে যাচ্ছে, যা পরিবেশের জন্য বিপদসূচক। এআই কোম্পানিগুলো কেন এমন পরিমাণ পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 একটি ছবি তৈরি করতে গড়ে ৫ থেকে ৬০ মিলিলিটার পানি লাগতে পারে, যা সাধারণ গুগল সার্চের তুলনায় ১০০ গুণ বেশি
  • 📌 ডেটা সেন্টারগুলো সার্ভার ঠান্ডা রাখতে বাষ্পীভবন পদ্ধতি ব্যবহার করে, যা প্রতি বছর ১১ কোটি গ্যালন পানি খরচ করে
  • 📌 একটি মাঝারি আকারের ডেটা সেন্টার বছরে এক হাজার পরিবারের পানির চাহিদা পূরণ করতে পারে
  • 📌 সার্ভার ঠান্ডা রাখতে লাগে ১৭ মিলিলিটার পানি, এর মধ্যে ২ মিলিলিটার সরাসরি কুলিংয়ে এবং বাকি বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  • 📌 পানির অপচয় ঘটায় লবণ ও খনিজ পদার্থের ঘনত্ব বাড়ার কারণে, যা যন্ত্রপাতির ক্ষতি করতে পারে

📰 বিস্তারিত

আপনি যদি চ্যাটজিপিটি বা মিডজার্নি ব্যবহার করে ‘পাহাড়ের চূড়ায় সূর্যাস্তের ছবি’ তৈরি করতে বলেন, তাহলে সেই নির্দেশ ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরের ডেটা সেন্টারে পৌঁছায়। সেখানে হাজার হাজার সার্ভার একসঙ্গে কাজ করে সেই ছবিটি তৈরি করে। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় সার্ভারগুলো প্রচণ্ড গরম হয়ে ওঠে। ঠিকমতো তাপ সরাতে না পারলে যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এই তাপ নিয়ন্ত্রণে বাষ্পীভবন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যা শরীর ঘামার মতো কাজ করে। গরম সার্ভারকে ঠান্ডা করার জন্য পানি প্রবাহিত করা হয়, যা বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। এই পদ্ধতিতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ পানি অপচিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, জিপিটি-৩ মডেল দিয়ে ১৫০ থেকে ৩০০ শব্দের লেখা তৈরি করতে গড়ে ১৭ মিলিলিটার পানি খরচ হয়। এর মধ্যে ২ মিলিলিটার সরাসরি কুলিংয়ে এবং বাকি বিদ্যুৎ উৎপাদনে। ছবি তৈরির পানির খরচ নিয়ে বিভিন্ন বিশ্লেষণে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা পাওয়া যায়। কিছু হিসাবে একটি ছবি তৈরিতে গড়ে ২৩ মিলিলিটার পানি লাগতে পারে, আবার আরও কিছু বিশ্লেষণে এই সংখ্যা ৫ থেকে ৬০ মিলিলিটার পর্যন্ত হতে পারে। তুলনায়, একটি সাধারণ গুগল সার্চে পানি লাগে শুধুমাত্র ০.২ থেকে ০.৬ মিলিলিটার।

ডেটা সেন্টারগুলো পানির অপচয় করে যাচ্ছে কারণ বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি বাতাসে উড়ে যায়। ফলে প্রতিনিয়ত নতুন পানি সরবরাহ করতে হয়। এছাড়াও, পানিতে লবণ ও খনিজ পদার্থের ঘনত্ব বাড়ার কারণে যন্ত্রপাতির ক্ষতি হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পানি পরিবর্তন করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড এনার্জি স্টাডি ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, একটি মাঝারি আকারের ডেটা সেন্টার বছরে প্রায় ১১ কোটি গ্যালন পানি খরচ করে, যা এক হাজার পরিবারের সারা বছরের পানির চাহিদার সমান।

"একজন মানুষ যখন নিজের ঘরে বসে স্মার্টফোনে এআই ব্যবহার করছেন, তখন তাঁর তো এক ফোঁটা পানিও খরচ হচ্ছে না। তাহলে এআই কোম্পানিগুলো কেন বলছে যে তাদের প্রচুর পানি লাগছে?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ডেটা সেন্টার), ওয়াশিংটন (গবেষণা প্রতিষ্ঠান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এআই ব্যবহারকারী, ডেটা সেন্টার কর্মকর্তা, গবেষক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫-৬০ মিলিলিটার (পানি/ছবি), ১৭ মিলিলিটার (পানি/লেখা), ১১ কোটি গ্যালন (বছরে পানি), ১৫০-৩০০ শব্দ (লেখা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖