📌 স্পেনের ফুটবল সাফল্যের পেছনে রয়েছে তাদের একাডেমি ব্যবস্থা। গত এক দশকে ইউরোপের সবচেয়ে সফল জাতীয় দল হিসেবে স্পেন জিতেছে ২৩টি শিরোপা। লা লিগার গবেষণায় উঠে এসেছে তরুণ প্রতিভাদের বিকাশে তাদের সামগ্রিক পরিকল্পনার কথা
স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লেখা হয়েছে গত এক দশকে। ইউরোপের সবচেয়ে সফল জাতীয় দল হিসেবে স্পেন জিতেছে মোট ২৩টি শিরোপা, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা জার্মানির চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দেশটির তরুণ প্রতিভাদের বিকাশে লা লিগার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও একাডেমি ব্যবস্থার ভূমিকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্পেনের জাতীয় দল গত এক দশকে পুরুষ, নারী ও যুব পর্যায় মিলিয়ে জিতেছে মোট ২৩টি শিরোপা
- 📌 ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় স্পেনের ব্যবধান চোখে পড়ার মতো: জার্মানি ৯টি, ইংল্যান্ড ৭টি, ফ্রান্স ও পর্তুগাল ৬টি করে শিরোপা জিতেছে
- 📌 ২০২৬ বিশ্বকাপ জয়ী স্পেন দলের ২৬ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ২৫ জনই একাডেমি ব্যবস্থার মাধ্যমে গড়ে উঠেছেন
- 📌 লা লিগার ১১টি ক্লাব সরাসরি জড়িত ছিল বিশ্বকাপ জয়ী দল গঠনে
- 📌 স্পেনের একাডেমি ব্যবস্থা থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য প্রায় ৫৪ কোটি ৫০ লাখ ইউরো
📰 বিস্তারিত
লা লিগার ফুটবল প্রজেক্টস বিভাগের প্রধান হুয়ান ফ্লোরিত জানান, তরুণ প্রতিভাদের বিকাশ শুধু মাঠেই নয়, অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাঁর মতে, ক্লাবগুলোর সঙ্গে কাজ করে একাডেমির মান বৃদ্ধি ও জ্ঞান ভাগাভাগি করার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। ২০২২ সালে চালু হওয়া জাতীয় একাডেমি উন্নয়ন পরিকল্পনা এরই ফলাফল।
২০২৫-২৬ মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে লা লিগা সবচেয়ে বেশি সময় একাডেমি থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়দের খেলিয়েছে। মোট খেলার সময়ের ২০.১ শতাংশ। ফ্রান্সের ছিল ১৬.১ শতাংশ, জার্মানি ১১.৯ শতাংশ, ইংল্যান্ড ৮.৩ শতাংশ এবং ইতালি ৭.৬ শতাংশ।
একাডেমি স্নাতকদের সবচেয়ে বেশি সুযোগ দেওয়া ক্লাবগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে অ্যাথলেতিক বিলবাও (৬৯.৫ শতাংশ), রিয়াল সোসিয়েদাদ (৫৫.২ শতাংশ) এবং বার্সেলোনা (৪৭.৫ শতাংশ)। দ্বিতীয় বিভাগেও একই প্রবণতা দেখা যায়। মালাগা দল তাদের খেলোয়াড়দের ৫৭.৩ শতাংশ সময় একাডেমি স্নাতকদের দিয়েছে।
‘দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় তরুণদের গড়ে তোলা শুধু মাঠে নয়, অর্থনীতিতেও ফল দেয়। আমরা ক্লাবগুলোর সঙ্গে কাজ করি। জ্ঞান ভাগাভাগি করি। একাডেমির মান বাড়াই।’ — হুয়ান ফ্লোরিত, প্রধান, লা লিগা ফুটবল প্রজেক্টস বিভাগ
স্পেনের একাডেমি ব্যবস্থা থেকে উঠে আসা খেলোয়াড়দের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। ২০২৪ ইউরো ও ২০২৬ বিশ্বকাপ জয়ী দল দুটো ভিন্ন ধরনের ফুটবল খেললেও খেলোয়াড়রা ছিলেন একই। এই অভিযোজন ক্ষমতাই তাদের শক্তির উৎস।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: স্পেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুয়ান ফ্লোরিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩টি শিরোপা, ২০.১ শতাংশ, ৫৪ কোটি ৫০ লাখ ইউরো
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!