📌 চীনের জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে বাংলাদেশের শারিকা সাফা রিমন সাত গোল করে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার মর্যাদা পেয়েছেন। অধিনায়কত্বের দায়িত্বে দলকে পঞ্চম স্থান পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তিনি নিজের ব্যক্তিগত রেকর্ডও গড়েছেন
চীনের জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে বাংলাদেশের শারিকা সাফা রিমন অচেনা খেলাটিকে নিজের করে নেওয়ার গল্প লেখেছেন। চার ম্যাচে ২২ গোল করে চ্যালেঞ্জার পুলে পুলসেরা হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। শারিকার সাত গোলের অর্জনটি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের মধ্যে একটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনের জুনিয়র এশিয়া কাপে শারিকা সাফা রিমন সাত গোল করে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন
- 📌 চায়নিজ তাইপের বিপক্ষে ৭-০, পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫-১, কাজাখস্তানের বিপক্ষে ৪-০ এবং হংকংয়ের বিপক্ষে ৬-০ গোল করে দলকে চ্যালেঞ্জার পুলে শীর্ষে নিয়ে যান
- 📌 কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের বিপক্ষে ২-০ গোলে পরাজিত হলেও পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ফল অর্জন
- 📌 শারিকা সাফা রিমন বলেন, ‘আমার টিমমেটরা আমাকে সাপোর্ট করেছে। ওদের সাপোর্টই ছিল মেইন আমার’
- 📌 ১৭ বছর বয়সী শারিকা বক্সিং থেকে হকিতে আসেন এবং ধীরে ধীরে খেলাটিকে ভালোবেসেছেন
- 📌 শারিকা চায়েনা এশিয়ান গেমসের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং বিশ্বকাপের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী
📰 বিস্তারিত
চীনের জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে বাংলাদেশের মেয়েদের দল চ্যালেঞ্জার পুলে চার ম্যাচে চার জয় করে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার পথে অগ্রসর হয়। শারিকা সাফা রিমন এই দলের অধিনায়ক হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। চায়নিজ তাইপের বিপক্ষে ৭-০, পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫-১, কাজাখস্তানের বিপক্ষে ৪-০ এবং হংকংয়ের বিপক্ষে ৬-০ গোল করে শারিকা দলের আক্রমণভাগের প্রধান হয়ে উঠেছেন। চার ম্যাচে মোট ২২ গোল করে তিনি দলকে পুলসেরা হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে যান।
কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের বিপক্ষে ২-০ গোলে পরাজিত হলেও শারিকা এবং তার দলের সাফল্য শেষ হয়নি। পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মালয়েশিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ফল অর্জন করে। শারিকা সাফা রিমন বলেছেন, ‘টপ স্কোরার হওয়ায় অবশ্যই খুব ভালো লাগছে। এটা আমার প্রথম এমন অর্জন। আমার টিমমেটরা আমাকে সাপোর্ট করেছে। ওদের সাপোর্টই ছিল মেইন আমার’।
১৭ বছর বয়সী শারিকা বক্সিং থেকে হকিতে আসেন। তিনি বলেন, ‘হকি স্টিক কী, সেটাই আমি জানতাম না। স্টিক কীভাবে ধরতে হয়, তা শিখতেই আমার বেশ সময় লেগেছে’। বিকেএসপির কোচ জাহিদ হোসেন রাজুর কাছে শিখে তিনি জাতীয় দলের সঙ্গে বড় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন।
"আমার টিমমেটরা আমাকে সাপোর্ট করেছে। ওদের সাপোর্টই ছিল মেইন আমার। আমার কোচ, টিমমেট—ওরা সবাই আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চীন (জুনিয়র এশিয়া কাপ), জাপান (এশিয়ান গেমস), মালয়েশিয়া (পঞ্চম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শারিকা সাফা রিমন (অধিনায়ক ও গোলদাতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ গোল (সর্বোচ্চ গোলদাতা), ২২ গোল (চ্যালেঞ্জার পুলে), ১৭ বছর (বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!