📌 সৌদি আরব মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টাকে 'কালো অধ্যায়' হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ওআইসি এই হামলাকে পবিত্র স্থান লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা করেছে
মক্কার কাছে ড্রোন হামলার চেষ্টাকে সৌদি আরব 'মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত করার পরিকল্পিত উসকানি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এই হামলাকে 'কালো অধ্যায়' হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরব মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টাকে 'কালো অধ্যায়' হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে
- 📌 সৌদি মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেছেন, এই প্রচেষ্টা 'লাখো মুসলমানের অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে করা পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড'
- 📌 ওআইসি (৫৭টি মুসলিম দেশের জোট) এই হামলাকে 'পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা লঙ্ঘন' হিসেবে নিন্দা করেছে
- 📌 মক্কার কাছে ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনা ঘটেছে যখন ইয়েমেন ও সৌদি আরবের মধ্যে সংঘাত তীব্র হচ্ছে
- 📌 হুতিরা গত সপ্তাহে সৌদি আরবের খামিস মুশাইত, আভা ও তাইফ শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১৩ জন বেসামরিক মানুষ আহত হন
- 📌 হুতিরা দাবি করেছে, সৌদি বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে
📰 বিস্তারিত
মক্কার কাছে ড্রোন হামলার চেষ্টাকে সৌদি আরব 'মুসলিমদের অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে চালানো পরিকল্পিত উসকানি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, এই শত্রুতাপূর্ণ প্রচেষ্টা 'কালো অধ্যায়' হিসেবে থেকে যাবে। তিনি হুতিদের বিরুদ্ধে 'প্রয়োজনীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা' নেওয়ার অঙ্গীকারও করেছেন।
অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) এই হামলার চেষ্টাকে নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের হামলা 'পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা লঙ্ঘন করে' এবং নিরীহ বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। ওআইসি ৫৭টি মুসলিম দেশের জোট, যা বিশ্বের প্রায় ১৫০ কোটি মুসলমানের প্রতিনিধিত্ব করে।
মক্কার কাছে ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনা এমন সময়ে ঘটেছে যখন ইয়েমেন ও সৌদি আরবের মধ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হচ্ছে। গত সপ্তাহের শুরুতে হুতিরা সৌদি আরবের খামিস মুশাইত, আভা ও তাইফ শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছে রিয়াদ। এসব হামলায় ১৩ জন বেসামরিক মানুষ আহত হন। এর আগে, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দায়ও স্বীকার করে হুতিরা।
পাল্টা হিসেবে হুতিরা দাবি করেছে, গত শনিবার ও মঙ্গলবার, ইয়েমেনের তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে হুতিরা। পাশাপাশি, নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার পরিধিও বাড়িয়েছে তারা। গত সপ্তাহে, ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের একটি বন্দরনগরী এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথের কাছের একটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেয় গোষ্ঠীটি।
"এই শত্রুতাপূর্ণ প্রচেষ্টা উগ্র সন্ত্রাসী বাহিনী হুতি মিলিশিয়ার লঙ্ঘনের তালিকায় আরেকটি 'কালো অধ্যায়' হিসেবে থেকে যাবে। এটি লাখো মুসলমানের অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে করা একটি পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মক্কা (সৌদি আরব), খামিস মুশাইত, আভা, তাইফ (সৌদি আরব), ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তুর্কি আল-মালিকি (সৌদি মুখপাত্র), হুতি গোষ্ঠী, ওআইসি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ কোটি (মুসলমান), ৫৭টি (ওআইসির সদস্য দেশ), ১৩ জন (আহত বেসামরিক মানুষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!