📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে জয়ী হয়ে জাতীয় ফুটবল দলের তারকা সাজ্জাদ হোসেনের উত্থান গল্প

দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে জয়ী হয়ে জাতীয় ফুটবল দলের তারকা সাজ্জাদ হোসেনের উত্থান গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত জীবন থেকে উঠে এসে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে খেলছেন সাজ্জাদ হোসেন। টিনের চাল ও বাঁশের বেড়ার কুঁড়েঘর থেকে শুরু করে এখন তিনি নিজের পাকা বাড়িতে থাকেন। তাঁর জীবনের এই অসাধারণ উত্থান গল্প তুলে ধরা হলো

টিনের চাল চুইয়ে পানি পড়ত এমন এক জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরে জন্মেছিলেন সাজ্জাদ হোসেন। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকায় তাঁর শৈশব কেটেছে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে। বাবা কবির আহমদ ছিলেন দিনমজুর। সংসারের সামান্য আয়েই চলত তাঁদের জীবন। অনেক সময় পরিবারের সবার খাবার জোটেনি। সেই অভাবের মধ্যেই ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা গড়ে ওঠে সাজ্জাদের।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাজ্জাদ হোসেনের শৈশব কেটেছে টিনের চাল ও বাঁশের বেড়ার কুঁড়েঘরে
  • 📌 দিনমজুর বাবা কবির আহমদের সংসারে নিয়মিত খাবার জোটেনি অনেক সময়
  • 📌 ২০২২ সালে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ঘটে তাঁর ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে
  • 📌 নিজের উপার্জন থেকে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করে নির্মাণ করেছেন পাকা দোতলা বাড়ি
  • 📌 বর্তমানে খেলছেন ঢাকার রহমতগঞ্জ এমএফসি ক্লাবে

📰 বিস্তারিত

পটিয়া পৌরসভার দক্ষিণ গোবিন্দারখীলের সেই বাড়িটি ছিল দুই কক্ষের একটি ক্ষুদ্র কুঁড়েঘর। টিনের চাল চুইয়ে পানি পড়ত বলে বৃষ্টির দিনে পরিবারের সবাইকে এক কক্ষে গাদাগাদি করে থাকতে হতো। দিনমজুর বাবার সামান্য আয়েই চলত সংসার। অভাবের সংসারে পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবল খেলাও চালিয়ে যান সাজ্জাদ। এলাকার অনেকে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেও তিনি থেমে থাকেননি।

প্রাথমিক বিদ্যালয় শেষ করে ভর্তি হন এ এস রাহাত আলী উচ্চবিদ্যালয়ে। স্কুলের টিফিনের ছুটিতে পাশের মাঠে গিয়ে বড়দের ফুটবল অনুশীলন দেখতেন। সেই দেখাদেখি থেকেই ফুটবলের প্রতি তাঁর আগ্রহ আরও বাড়ে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় বন্ধুদের সঙ্গে মিলে একটি ফুটবল কিনেছিলেন তিনি। সেই বল নিয়েই পাড়ায় খেলতেন নিয়মিত। সাজ্জাদের ভাষায়, সেই বলটিই ছিল তাঁর ফুটবলের হাতেখড়ি।

২০০৬ সালে বন্ধুদের নিয়ে গঠন করেন ‘পটিয়া জুনিয়র স্পোর্টিং ক্লাব’। সেই ক্লাবের হয়ে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর খেলা দেখে অনেকে উৎসাহ দিতেন। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় পটিয়া ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব থেকে ফরম নিয়ে ভর্তি হন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে নিয়মিত অনুশীলনে অংশ নিতে পারতেন না। কখনো বাবার সঙ্গে কাজে যেতে হতো, কখনো বড় ভাইদের সঙ্গে। কিছুদিন একটি এনজিওতেও চাকরি করেছিলেন তিনি।

এ সময় এলাকার হাজী মোহাম্মদ নবী সওদাগর তাঁর পাশে দাঁড়ান। একজোড়া বুট কিনে দেন সাজ্জাদকে। সেই ছোট সহযোগিতাই তাঁর জন্য হয়ে ওঠে বড় প্রেরণা। ধীরে ধীরে ক্লাব ফুটবলে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি। ২০২১-২২ মৌসুমে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলেন। জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্লাব ও টুর্নামেন্টে সাফল্য পান তিনি।

"অভাবের মধ্যেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা কমেনি। প্রতিকূলতার মধ্যেই নিজের ওপর বিশ্বাস তৈরি করেছিলাম। এখন নিজের উপার্জনের টাকায় পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দক্ষিণ গোবিন্দারখীল, পটিয়া, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাজ্জাদ হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ৩৫ লাখ টাকা (বাড়ি নির্মাণ ব্যয়)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ বছর (বর্তমান বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖