📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে দুই শিশুর মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরিতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হন দুই পুলিশ সদস্য। ঘটনার পর এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে দুই শিশুর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় স্থানীয়দের হামলার শিকার হন দুই পুলিশ সদস্য। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। গুরুদাসপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবুল বাশার ও কনস্টেবল রাকিব হাসান মারধরের শিকার হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুরুদাসপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে দুই শিশুর মরদেহ সুরতহাল করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনা ঘটে
- 📌 ঘটনার সময় গুরুদাসপুর থানার এএসআই আবুল বাশার ও কনস্টেবল রাকিব হাসান আহত হন
- 📌 মঙ্গলবার দুপুরে নদীর পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটে
- 📌 স্থানীয়দের হামলায় আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে থানায় পাঠানো হয়
📰 বিস্তারিত
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে দুই শিশুর মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় স্থানীয়দের হামলার শিকার হন দুই পুলিশ সদস্য। ঘটনার সময় গুরুদাসপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবুল বাশার ও কনস্টেবল রাকিব হাসান মারধরের শিকার হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে নদীর পানিতে ডুবে ফারহান ও লাম নামের দুই শিশুর মৃত্যু ঘটে। পরে তাদের মরদেহ নাটোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল থেকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান স্বজনরা।
মৃত্যুর খবর পেয়ে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির উদ্যোগ নেয় গুরুদাসপুর থানা পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা প্রতিবেদন তৈরির উদ্যোগ নিলে নিহতদের স্বজন এবং স্থানীয় কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তারা পুলিশ সদস্যদের ওপর চড়াও হয়ে মারধর শুরু করেন।
হামলায় আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে উপস্থিত গ্রামবাসীরা গুরুদাসপুর থানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
"মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় স্থানীয়দের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনার পর এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এএসআই আবুল বাশার, কনস্টেবল রাকিব হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ (শয্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!