📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পর্তুগালের প্রাচীন শিরোপা জিতে ইউরোপা লিগে তোরেইনজের অভিযান শুরু

পর্তুগালের প্রাচীন শিরোপা জিতে ইউরোপা লিগে তোরেইনজের অভিযান শুরু

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পর্তুগিজ ক্লাব তোরেইনজ দ্বিতীয় বিভাগ থেকে উঠে দেশের প্রাচীনতম শিরোপা জয় করে ইউরোপা লিগের টিকিট নিশ্চিত করেছে। স্পোর্টিং লিসবনের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয় পেয়ে তারা ইতিহাস গড়ে

পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করেছে দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব তোরেইনজ। দেশের প্রাচীনতম শিরোপা ‘তাসা দে পর্তুগাল’ জয় করে তারা প্রথমবারের মতো ইউরোপা লিগে খেলার সুযোগ পেয়েছে। ক্লাবটির ইতিহাসে এটি প্রথম কোনো ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পর্তুগিজ ক্লাব তোরেইনজ ১০৯ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘তাসা দে পর্তুগাল’ শিরোপা জয় করে
  • 📌 দ্বিতীয় বিভাগ থেকে উঠে আসা দলটি ফাইনালে স্পোর্টিং লিসবনকে ২-১ গোলে পরাজিত করে ইউরোপা লিগের টিকিট নিশ্চিত করে
  • 📌 স্টোপিয়া নামের খেলোয়াড়ের জয়সূচক গোলটি আসে অতিরিক্ত সময়ের ১১৩তম মিনিটে
  • 📌 তোরেইনজের ম্যানুয়াল মার্কেজ স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা মাত্র ২ হাজার ৪৩১ জন, ফলে ইউরোপিয়ান ম্যাচ খেলতে অন্য স্টেডিয়াম ব্যবহার করতে হবে

📰 বিস্তারিত

পর্তুগিজ ফুটবলে তোরেইনজ নামটি খুব একটা পরিচিত নয়। দলটি দীর্ঘদিন ধরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগে খেলে আসছিল। সর্বশেষ ১৯৯১-৯২ মৌসুমে তারা পর্তুগিজ লিগের প্রথম বিভাগে খেলেছিল। এরপর থেকে তারা আর শীর্ষ লিগে ফিরতে পারেনি। তবে এবার তারা ইতিহাস গড়েছে। দেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ শিরোপা জয় করে তারা ইউরোপা লিগে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

‘তাসা দে পর্তুগাল’ প্রতিযোগিতায় দেশের ১৪৯টি ক্লাব অংশ নেয়। এবারের আসরে সেমিফাইনালে উঠেছিল স্পোর্টিং লিসবন ও পোর্তোর মতো ইতিহাসখ্যাত দল। অন্যদিকে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে উঠে আসা তোরেইনজ ও ফাফেও সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল। দুই লেগের সেমিফাইনালে ফাফেকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছায় তোরেইনজ।

ফাইনালে মুখোমুখি হয় স্পোর্টিং লিসবনের বিরুদ্ধে। খেলা শুরু হওয়ার মাত্র ৪ মিনিটেই তোরেইনজকে এগিয়ে নিয়ে যান কেভিন জোহি। এরপর কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজের গোলে সমতায় ফেরে স্পোর্টিং। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই স্পোর্টিংয়ের ভুলে পেনাল্টি বক্সে পেনাল্টি দেওয়া হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জয়সূচক গোল করেন স্টোপিয়া। ফলে ২-১ গোলে জয় পেয়ে তোরেইনজ ইতিহাস গড়ে।

তোরেইনজের এই জয় শুধু ক্লাবের জন্যই নয়, তাদের খেলোয়াড় স্টোপিয়ার জন্যও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। স্টোপিয়া কেপ ভার্দের হয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন। তোরেইনজের হয়ে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পর্তুগাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্টোপিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৯ বছর, ১৪৯টি ক্লাব, ২-১ ব্যবধানে জয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖