📌 যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকালে বাবা হোর্হে মেসির গুরুতর অসুস্থতার কারণে লিওনেল মেসি বিশ্বকাপ ছেড়ে দেশে ফেরার কথা ভেবেছিলেন। এ সময় তিনি আলজেরিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন
যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকালে লিওনেল মেসির মন ছিল উদ্বিগ্ন। কারণ তার বাবা হোর্হে মেসি তখন গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। এমনকি বিশ্বকাপ ছেড়ে দেশে ফেরার কথাও ভেবেছিলেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন মেসির বাবা হোর্হে মেসি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন।
- 📌 আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় ছিল তার উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স।
- 📌 বিশ্বকাপ ছেড়ে দেশে চলে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন মেসি।
- 📌 মেসির স্ত্রী আন্তোনেলা, সন্তানরা এবং শ্বশুর গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকালে লিওনেল মেসির মন ছিল উদ্বিগ্ন। কারণ তার বাবা হোর্হে মেসি তখন গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। এমনকি বিশ্বকাপ ছেড়ে দেশে ফেরার কথাও ভেবেছিলেন তিনি। দিয়ারিও ওলের বরাত দিয়ে বিষয়টি জানান সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো।
বিশ্বকাপে মেসি ছিলেন সেরাদের একজন। ৩৯ বছর বয়সে তিনি করেছেন আট গোল। খেলেছেন দুর্দান্ত কিছু ম্যাচ। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক থেকে শুরু করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়—সবকিছুতেই তিনি ছিলেন উজ্জ্বল। তবে এত কিছুর পরেও তার মন মোটেও শান্ত ছিল না।
পরিস্থিতি এতটাই কঠিন ছিল যে একটা সময় বিশ্বকাপ ছেড়ে দেশে চলে যাওয়ার কথাও ভেবেছিলেন তিনি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর তিনি প্রায় নিজের অজান্তেই পরিবারের এই কঠিন পরিস্থিতির কথা প্রকাশ করে ফেলেছিলেন। সেই সময় তার চোখে ছিল কান্না, মনে ছিল গভীর অনুভূতি।
"আগের প্রতিটি বড় মঞ্চে বাবা হোর্হে মেসির উপস্থিতি ছিল একেবারে নিয়মিত বিষয়। এবার হোর্হে তার পাশে থাকতে পারেননি।"
মেসির স্ত্রী আন্তোনেলা, সন্তানরা এবং শ্বশুর গ্যালারিতে ছিলেন। কিন্তু ছিলেন না মা সেলিয়া কিংবা বাবা হোর্হে। কোচ স্কালোনির অধীনে দলের ক্যাম্পে থেকেও মেসি এই কঠিন সময় সামলে নিয়েছিলেন। নিজের স্বভাব অনুযায়ী তিনি এই কষ্ট নিজের মধ্যেই রেখেছিলেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিওনেল মেসি, হোর্হে মেসি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯ বছর, ২ গোল, ১ জয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!