📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের সুবিধাবঞ্চিত কিশোরীদের ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসে উদ্বুদ্ধ করে তাদের স্বপ্নপূরণে কাজ করছেন দুই ক্রীড়াপ্রেমী। সামাজিক বাধা ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাঁরা মেয়েদের মাঠে ধরে রাখছেন এবং জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির স্বপ্ন দেখছেন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সুবিধাবঞ্চিত কিশোরীদের ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসে উদ্বুদ্ধ করে তাদের স্বপ্নপূরণে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দুই ক্রীড়াপ্রেমী। সামাজিক বাধা ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাঁরা মেয়েদের মাঠে ধরে রাখছেন এবং জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির স্বপ্ন দেখছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই ক্রীড়াপ্রেমী সেতাউর রহমান ও ওয়াহেদুল ইসলাম সুবিধাবঞ্চিত কিশোরীদের ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন
- 📌 রাইজিং কুইন্স স্পোর্টস একাডেমির সেতাউর রহমান ২০২১ সালে ৩৫ জন কিশোরী নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু করেন
- 📌 মাসুদ-উল হক ইনস্টিটিউটের ওয়াহেদুল ইসলাম ২০০৯ সাল থেকে ১৭ জন কিশোরী নিয়ে কাজ করছেন
- 📌 দুই একাডেমির খেলোয়াড়রা জাতীয়, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সুনাম অর্জন করেছেন
- 📌 কোচেরা কিশোরীদের বাল্যবিবাহ থেকে দূরে রাখতে পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের রাইজিং কুইন্স স্পোর্টস একাডেমির লাইসেন্সধারী কোচ মো. সেতাউর রহমান এবং সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহার গ্রামের মাসুদ-উল হক ইনস্টিটিউটের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের সহকারী শিক্ষক ওয়াহেদুল ইসলাম সুবিধাবঞ্চিত কিশোরীদের ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের স্বপ্নপূরণে কাজ করছেন। দুই ক্রীড়াপ্রেমীর উদ্যোগে প্রশিক্ষণ নেওয়া কিশোরীরা জাতীয় পর্যায়ের জার্সি গায়ে চড়িয়েছেন এবং বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সুনাম অর্জন করেছেন।
সেতাউর রহমান ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ঠাকুরগাঁও থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসে মাত্র ৩৫ জন কিশোরী নিয়ে নারী ফুটবল একাডেমির কার্যক্রম শুরু করেন। তাঁর একাডেমিতে বর্তমান ব্যাচে নিয়মিত অনুশীলন করছে ২৫ জন স্কুলপড়ুয়া কিশোরী। এই কিশোরীরা অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৭, জেলা, বিভাগীয়, ঢাকা ও বিভিন্ন স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ইতিমধ্যে সুনাম অর্জন করেছে। তাঁর একাডেমির কয়েকজন খেলোয়াড় জাতীয় পর্যায়ে সুযোগ পেয়েছে। তাদের মধ্যে সোহাগী কিসকু, কোহাতি কিসকু, গোলরক্ষক সাগরিকা, মুন্নী ও স্বপ্না রানীর নাম উল্লেখযোগ্য।
অপরদিকে, ওয়াহেদুল ইসলাম ২০০৯ সাল থেকে কিশোরীদের নিয়ে ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসের কাজ করছেন। তাঁর দলের ১৭ জন কিশোরী বিভাগীয়, অনূর্ধ্ব-১৪ ও অনূর্ধ্ব-১৭ পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সুনাম অর্জন করেছে। সম্প্রতি তাঁর দলের দুজন খেলোয়াড় ‘নতুন কুঁড়ি’ ফুটবলে ২০২৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। তাঁর দলের একজন খেলোয়াড় সাহিমা সরেন বর্তমানে অনার্স পর্যায়ে পড়াশোনার পাশাপাশি ওয়াহেদুল ইসলামের দলের সহকারী রেফারি হিসেবেও কাজ করছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা, শিবগঞ্জ উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সেতাউর রহমান, ওয়াহেদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ জন (২০২১), ২৫ জন (বর্তমান), ১৭ জন (ওয়াহেদুল ইসলামের দল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!