📌 বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার ঘটনা এখনো তাড়া করছে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড এমবোলোকে। তিনি জানান, দলের জয়ের সম্ভাবনা থাকলেও রেফারির সিদ্ধান্তে ম্যাচ হারার বেদনা রয়ে গেছে
বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার সেই বেদনাদায়ক মুহূর্ত ভুলতে পারছেন না সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো। তাঁর মতে, বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে আবার খেলার সুযোগ অনিশ্চিত হওয়ায় রেফারির সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া আরও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এমবোলো
- 📌 অতিরিক্ত সময়ে সুইজারল্যান্ড হেরেছিল আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে
- 📌 দ্বিতীয়ার্ধে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এমবোলো
- 📌 ভিএআরের পরামর্শে রেফারি পারেদেসের হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করে এমবোলোকেই দ্বিতীয় হলুদ দেখান
📰 বিস্তারিত
কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-১ গোলে পরাজিত হয়। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে এমবোলো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। এর আগে সুইজারল্যান্ড ১-১ গোলে সমতায় ফিরেছিল। এমবোলোর আদায় করা ফাউলের পর আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে প্রাথমিকভাবে হলুদ কার্ড দেখিয়েছিলেন রেফারি। পরবর্তীতে ভিএআরের পরামর্শে রিপ্লে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পারেদেসের সঙ্গে এমবোলোর কোনো সংস্পর্শ না হওয়ায় তাঁর হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করা হয়। ফলে এমবোলোকেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।
এমবোলো দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে আমরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম, কারণ আমরা জানতাম, ১১ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে পারলে জয়ের সামর্থ্য আমাদের ছিল। অবশ্যই সেই মুহূর্তটি আমাকে প্রভাবিত করেছে এবং দলকেও কষ্ট দিয়েছে। আর শেষ পর্যন্ত সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে রেফারি তাঁর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আর খেলাধুলায় এ ধরনের ভুল থাকেই।’
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে পরাজয়ের বিষয়ে এমবোলো জানান, ‘না, আমরা পুরোপুরি হেরে গেছি, আর আমি প্রতিযোগিতাপ্রবণ মানুষ। হার মেনে নেওয়া আমার জন্য কঠিন।’ তিনি আরও বলেন, ‘যখন উপলব্ধি করবেন, এই পর্যায়ে পৌঁছানো এবং একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তোলা কতটা কঠিন, তখন সিদ্ধান্তটি মেনে নেওয়া আরও কঠিন হয়ে যায়। বিষয়টি লাল কার্ড ছিল কি না, সেখানে নয়। আসল কঠিন বিষয় হলো, পরবর্তী সুযোগ হয়তো আরও চার বছর পর আসবে।’
‘খেলোয়াড় হিসেবে আমরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম, কারণ আমরা জানতাম, ১১ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে পারলে জয়ের সামর্থ্য আমাদের ছিল। অবশ্যই সেই মুহূর্তটি আমাকে প্রভাবিত করেছে এবং দলকেও কষ্ট দিয়েছে। আর শেষ পর্যন্ত সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কানসাস সিটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিল এমবোলো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ গোল, ১ গোল, ১১ জন খেলোয়াড়, ২১টি গোল সহায়তা, ৯ গোল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!