📌 বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) স্টাফদের কাছে অনাদায়ী রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। অগ্রিমের বিপরীতে হিসাব জমা না দেওয়ায় তাদের বেতন আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। ফিফা-এএফসির অর্থায়নে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক শৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) স্টাফদের কাছে অনাদায়ী রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। বিভিন্ন কাজের জন্য অগ্রিম নেওয়া স্টাফদের কাছ থেকে সময়মতো হিসাব জমা না পড়ায় তাদের বেতন আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাফুফের স্টাফদের কাছে অনাদায়ী প্রায় ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ২৭০ টাকা
- 📌 অগ্রিমের বিপরীতে হিসাব জমা না দেওয়ায় স্টাফদের বেতন আটকে রাখা হয়েছে
- 📌 নারী উইংয়ের এক্সিকিউটিভ তৌহিদের কাছ থেকে সাড়ে আট লাখ টাকার হিসাব বাকি
- 📌 মিডিয়া বিভাগের দুই এক্সিকিউটিভের কাছেও রয়েছে ১০ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম
- 📌 জাতীয় দলের বিদেশ সফরের ব্যয় পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের হিসাবও অসমন্বিত
📰 বিস্তারিত
বাফুফের স্টাফদের কাছ থেকে অগ্রিম নেওয়া অর্থের বিপরীতে সময়মতো হিসাব জমা না পড়ায় তাদের বেতন আটকে রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কাছ থেকে প্রায় ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ২৭০ টাকার হিসাব আদায় করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে নারী উইংয়ের এক্সিকিউটিভ তৌহিদের কাছ থেকে সাড়ে আট লাখ টাকার হিসাব বাকি রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি একাধিকবার বিদেশ সফরের ব্যয় পরিচালনা করলেও হিসাব জমা দেননি।
মিডিয়া বিভাগের দুই এক্সিকিউটিভের কাছেও রয়েছে ১০ লাখ টাকার বেশি অগ্রিম। জাতীয় পুরুষ ও নারী দলের বিদেশ সফরের ব্যয় তাদের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও তারা হিসাব জমা দেননি। ফলে তাদের বেতনও আটকে রাখা হয়েছে। নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসানুর রবিনের কাছ থেকে মে মাস পর্যন্ত সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি অগ্রিম নেওয়া হয়েছিল। তবে জুলাই পর্যন্ত তিনি মাত্র চার হাজার টাকার হিসাব জমা দিয়েছেন।
জাতীয় দল সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা এক্সিকিউটিভ মোস্তাকিমের কাছেও জুলাই পর্যন্ত চার লাখ টাকার বেশি অসমন্বিত ব্যয় ছিল। পরে তা কিছুটা কমলেও হিসাব আদায়ে দেরি হচ্ছে। কোচ মাহবুবুর রহমানের কাছেও জুলাই পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার টাকার হিসাব বাকি রয়েছে। তার তত্ত্বাবধানে কোচিং প্রোগ্রাম, টার্ফে ট্রায়াল ও প্রীতি ম্যাচের মতো কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
"ফিফা-এএফসির অর্থে চলা প্রতিষ্ঠানে কমপ্লায়েন্সের কথা বলা সহজ; কিন্তু অগ্রিমের ৩৫ লাখ টাকার হিসাব সময়মতো না মেলায় সেকথার বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তৌহিদ, আহসানুর রবিন, মোস্তাকিম, মাহবুবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ২৭০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!