📌 ফিফার ১৫ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা পেয়ে আল-আমিন স্বীকার করেছেন যে তিনি ভুল করেছেন। মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির গায়ে হাত দেওয়ার ঘটনায় এই শাস্তি দেওয়া হয়। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞার চিঠি পেতে দেরি হয়েছিল এবং ক্লাব ফুটবলে খেলতে পারবেন
ফিফার দেওয়া ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন বাংলাদেশের ফুটবলার আল-আমিন। মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির গায়ে হাত দেওয়ার ঘটনায় এই শাস্তি দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমি ভুল করে ফেলেছি। এখন বুঝতে পারছি যে এটা অন্যায় হয়েছে।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিফা আল-আমিনকে ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে রেফারির গায়ে হাত দেওয়ার কারণে
- 📌 ঘটনাটি ঘটে মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ম্যাচে
- 📌 আল-আমিন জানান, নিষেধাজ্ঞার চিঠি পেতে ১২ তারিখের পরিবর্তে ১৮ তারিখ পর্যন্ত দেরি হয়েছিল
- 📌 জাতীয় দলের হয়ে খেলতে না পারলেও ক্লাব ফুটবলে আবাহনীর হয়ে খেলতে পারবেন তিনি
📰 বিস্তারিত
মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টে’ বাংলাদেশ অলিম্পিক দলের ম্যাচে উত্তেজনা চরমে ওঠে। ম্যাচের সময় রেফারির একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশ দলের আল-আমিন ও মিরাজুল ইসলাম লাল কার্ড দেখেন। এরপর আল-আমিন রেফারিকে ধাক্কা দিলে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে। ফিফা তাঁকে ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয়।
আল-আমিন প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি এখন বুঝতে পারছি যে রেফারির গায়ে হাত দেওয়া অন্যায় হয়েছে। আসলে এই কাজটা আমার করা উচিত হয় নাই।’ তিনি আরও জানান, নিষেধাজ্ঞার চিঠি পেতে দেরি হওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। তাঁর ভাষায়, ‘ফেডারেশনের চিঠি আমাকে ১২ তারিখে দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা পাই ১৮ তারিখে।’
তবে আল-আমিন আশ্বস্ত করেছেন যে ক্লাব ফুটবলে তাঁর খেলা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘ক্লাব ফুটবলে সমস্যা নেই। আবাহনীতে আছি। আপাতত তাদের হয়েই খেলব।’ জাতীয় দলের হয়ে খেলার ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলেও ক্লাব পর্যায়ে কোনো প্রভাব পড়বে না।
‘আমার বয়স কম, আমি ভুল করে ফেলেছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালদ্বীপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল-আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ ম্যাচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!