📌 ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের ৯৯ বছরের বরাদ্দ বাতিল করে সরকার। সালামি ও ভূমি করের বকেয়া পড়ার কারণে মন্ত্রণালয় বরাদ্দ বাতিল করে। এখন থেকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় মাঠের দেখভাল করবে এবং উন্মুক্ত করে দেবে সবার জন্য
ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের ৯৯ বছরের সরকারি বরাদ্দ বাতিল করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। সালামি ও ভূমি করের বকেয়া পড়ার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখন থেকে মাঠের দেখভাল করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং মাঠ উন্মুক্ত করে দেবে সবার জন্য খেলাধুলার সুযোগে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১০.৬৪৯ একর জমির মধ্যে ৯.৬৪৯ একর** ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের বরাদ্দ বাতিল করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
- 📌 **১৯৯৮ সালে ৯৯ বছরের জন্য** বরাদ্দ পেয়েছিল আবাহনী, কিন্তু সালামি ও ভূমি করের বকেয়া পড়ার কারণে বরাদ্দ বাতিল করা হয়।
- 📌 **২০২৫ সালের সালামি ও ভূমি করের বকেয়া** পড়ার কারণে বরাদ্দ বাতিল করা হয়, কিন্তু আবাহনী দাবি করে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ভূমি কর পরিশোধ করেছে এবং সালামি ২০২৪ সাল পর্যন্ত পরিশোধ করেছে।
- 📌 **৩ আগস্ট ২০২৬-এ** আবাহনী ইজারা পুনর্বহালের আবেদন করলেও মন্ত্রণালয় সাড়া দেয়নি।
- 📌 **যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়** এখন থেকে মাঠের দেখভাল করবে এবং মাঠ উন্মুক্ত করে দেবে সবার জন্য খেলাধুলার সুযোগে।
- 📌 **আবাহনী মাঠের নাম** ‘শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব মাঠ’ থেকে আবাহনী মাঠে পরিণত হয়েছে।
- 📌 **২০২৪ সালে সরকার বদলের পর** আবাহনী ক্রীড়া কমপ্লেক্সের অবশিষ্ট ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কাজ বন্ধ পড়ে যায়।
📰 বিস্তারিত
ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠের নাম ‘আবাহনী মাঠ’ হলেও এটি কাগজে-কলমে ‘শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব মাঠ’ নামে পরিচিত। মোট ১০.৬৪৯ একর জমির মধ্যে ১ একর জমি আবাহনী ক্লাবের নিজস্ব, বাকি ৯.৬৪৯ একর ১৯৯৮ সালে ৯৯ বছরের জন্য সরকারের কাছ থেকে বরাদ্দ পেয়েছিল। তবে সালামি ও ভূমি করের বকেয়া পড়ার কারণে গত ১১ মে বরাদ্দ বাতিল করে চিঠি দিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
আবাহনী ক্লাবের ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রশাসক আশিষ রায় চৌধুরী জানান, ২০২৬ সাল পর্যন্ত ভূমি কর পরিশোধ করা হয়েছে এবং সালামি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে ২০২৪ সাল পর্যন্ত। তিনি বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী দুই বছরের সালামি বকেয়া পড়লে বরাদ্দ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। কিন্তু আমাদের বকেয়া বাকি শুধু ২০২৫ সালের। এ বছর আমরা ব্যাংকে গিয়ে দেখি সিস্টেমে সালামি ফি নিচ্ছে না, পোর্টাল ব্লক।’
আবাহনী ক্লাবের অন্যতম পরিচালক শেখ বশীর আহমেদ দাবি করেন, ‘এটা করেছেন আসিফ সাহেব (সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া)। তিনি তখন এই বরাদ্দ বাতিল করেন। আমরা তা জেনেছি অনেক পরে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে দুজন মন্ত্রীই বলেছেন, জটিলতার জন্যই বরাদ্দ বাতিল করে যুব মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেওয়া হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আমাদের বলেছে, এটা আবাহনীকে আবার বরাদ্দ দেওয়া হবে।’
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, ‘আমরা মাঠটা উন্মুক্ত করে দেব, যাতে সবাই খেলতে পারে। যে কাঠামো আছে, সেটা রেখেই কীভাবে মাঠে খেলাধুলা রাখা যায়, সেই ব্যবস্থা করা করা হবে।’
"নিয়ম অনুযায়ী দুই বছরের সালামি বকেয়া পড়লে বরাদ্দ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। কিন্তু আমাদের বকেয়া বাকি শুধু ২০২৫ সালের। এ বছর আমরা ব্যাংকে গিয়ে দেখি সিস্টেমে সালামি ফি নিচ্ছে না, পোর্টাল ব্লক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমন্ডি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশিষ রায় চৌধুরী, শেখ বশীর আহমেদ, আমিনুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০.৬৪৯ একর (মোট জমি), ৯.৬৪৯ একর (বরাদ্দ জমি), ৯৯ বছর (বরাদ্দের মেয়াদ), ৬৩ হাজার ৯০০ টাকা (ভূমি কর), ৫০ হাজার টাকা (সালামি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!