📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫৪ বছরে বিশ্বজয়ের স্বপ্নে মগ্ন বাংলাদেশের প্রবীণ পাওয়ারলিফটার শাম্মী

৫৪ বছরে বিশ্বজয়ের স্বপ্নে মগ্ন বাংলাদেশের প্রবীণ পাওয়ারলিফটার শাম্মী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৫৪ বছর বয়সে পাওয়ারলিফটিং শুরু করে দেশের সবচেয়ে বয়স্ক আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত নারী ক্রীড়াবিদ হয়েছেন শাম্মী নাসরিন। তিনবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন, এশিয়ান পর্যায়ে তিন স্বর্ণ ও দুই ব্রোঞ্জ জয়ী এই ক্রীড়াবিদ এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেকে প্রমাণ করতে চান।

৫৪ বছর বয়সে পাওয়ারলিফটিং শুরু করে নিজেকে একজন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন শাম্মী নাসরিন। এক সময় গৃহবধূ হিসেবে সংসার সামলানো শাম্মী এখন দেশের সবচেয়ে বেশি বয়সী আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত নারী পাওয়ারলিফটার। তাঁর লক্ষ্য এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশের সবচেয়ে বেশি বয়সী আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত নারী পাওয়ারলিফটার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন শাম্মী নাসরিন
  • 📌 ৫৪ বছর বয়সে জিমে যাওয়া শুরু করেন, যেখানে তাঁর বড় ছেলে তানভীর ফয়সলও অংশ নিতেন
  • 📌 তিনবার জাতীয় পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়ন এবং নয়টি জাতীয় রেকর্ডের অধিকারী
  • 📌 এশিয়ান পর্যায়ে তিনটি স্বর্ণ ও দুই ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছেন
  • 📌 ২০২৩ সালে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে আন্তর্জাতিক পাওয়ারলিফটিং প্রতিযোগিতায় পদক জয় করেন
  • 📌 ২০২৫ সালে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ওপেন অ্যান্ড মাস্টার্স ক্ল্যাসিক পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপে তিনটি স্বর্ণ ও একটি ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন
  • 📌 নিয়মিত জিমে অংশ নিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন এবং শরীরে বড় কোনো অসুখ নেই

📰 বিস্তারিত

২০১৮ সালে বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন মোমিনুল হক। এর এক বছর পর অর্থাৎ ২০১৯ সালে পাওয়ারলিফটিং শুরু করেন শাম্মী নাসরিন। এর আগে তাঁর খেলাধুলার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না। বড় ছেলে তানভীর ফয়সলের সঙ্গে জিমে যাওয়া থেকেই তাঁর ক্রীড়া জীবনের সূচনা। ছেলে পরে জিম ছেড়ে দিলেও শাম্মী নিজের পথে এগিয়ে যান।

২০২০ সালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে শাম্মীকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে অন্য নারীদের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উৎসাহিত করেছিল বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং অ্যাসোসিয়েশন। তখন তাঁকে ওপেন বিভাগে অংশ নিতে হতো, কারণ বয়সভিত্তিক আলাদা বিভাগ ছিল না।

একই বছর তিনি জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর থেকে একে একে আসতে থাকে সাফল্য। তিনবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি নয়টি জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এশিয়ান পর্যায়ে তিনটি স্বর্ণ ও দুই ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। ২০২৩ সালে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে আন্তর্জাতিক পাওয়ারলিফটিং প্রতিযোগিতায় পদক জয় করেন শাম্মী।

২০২৫ সালে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ওপেন অ্যান্ড মাস্টার্স ক্ল্যাসিক পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপে ৬৩ কেজি মাস্টার-২ বিভাগে অংশ নিয়ে তিনটি স্বর্ণ ও একটি ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন তিনি। স্কোয়াট, বেঞ্চ প্রেস ও ডেডলিফট—এই তিন লিফটে অংশ নিয়ে মোট তিনটি স্বর্ণ ও একটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন।

"জিম শুরু করার পর ডায়াবেটিস আর আমাকে তেমন ভোগাতে পারেনি। শরীরে এখন পর্যন্ত বড় কোনো অসুখও নেই। এখন আমার একটাই স্বপ্ন, পাওয়ারলিফটিং ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে বিজয়ী হওয়া।"

শাম্মীর ওজন ৬৩ কেজির আশপাশে। শরীর ঠিক রাখতে নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি খাবারের ব্যাপারেও তিনি খুব সচেতন। তাঁর খাবারের তালিকায় থাকে সেদ্ধ শাকসবজি, মুরগির বুকের মাংস, লাল চালের অল্প ভাত। কোনো কোনো দিনে তিনি ১০টি ডিমও খান।

সংসারের কাজ গুছিয়ে, পরিবারের সবার রান্নাবান্না শেষ করে জিমে যান শাম্মী। কখনো শাড়ি পরেই জিমে হাজির হন তিনি। শরীরচর্চাকে তিনি শুধু খেলাধুলা নয়, ভালো থাকার উপায় হিসেবে দেখেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাম্মী নাসরিন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ বছর, ১২০ কেজি, ৩টি স্বর্ণ পদক, ২টি ব্রোঞ্জ পদক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖