📌 ডিএসই আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ ব্রোকারেজ হাউসের ১৭ হাজার ৩৩২ জন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর মধ্যে ৭২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ ফেরত দেওয়া শুরু করেছে। প্রথম দিনে ১৫ জন, দ্বিতীয় দিনে ১২২ জন বিনিয়োগকারীর হাতে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডিএসই আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউসের ১৭ হাজার ৩৩২ জন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর মধ্যে ৭২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে। এই প্রক্রিয়ায় ৯৭ শতাংশ বিনিয়োগকারীর পুরো টাকা ফেরত পাবেন। প্রথম দিনে ১৫ জন বিনিয়োগকারীর হাতে চেক হস্তান্তর করা হয়, দ্বিতীয় দিনে মশিউর সিকিউরিটিজের ১২২ জন বিনিয়োগকারীর মোট ৩ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে পাঁচ ব্রোকারেজ হাউসের ৭২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ ফেরত দেওয়া — ১৭ হাজার ৩৩২ জন বিনিয়োগকারীর মধ্যে ৯৭ শতাংশ পাবেন পুরো টাকা
- 📌 প্রথম দিনে ১৫ জন, দ্বিতীয় দিনে মশিউর সিকিউরিটিজের ১২২ জন বিনিয়োগকারীর হাতে চেক হস্তান্তর — মোট ৩ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা বিতরণ
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মোট ৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে — বাকি ৫৯৫ জনের পাওনা ৫ লাখ টাকার বেশি থাকলে আইনি পদক্ষেপে উদ্ধার করা হবে
- 📌 বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান ঘোষণা করেছেন, প্রতিটি ব্রোকারেজ হাউসের জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে ইউনিফাইড ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার ও অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
- 📌 ঢাকার নিকুঞ্জে ডিএসই ভবনে সকাল ৯:৩০ থেকে বিকাল ৩:৩০ পর্যন্ত চেক বিতরণ চলছে — পরবর্তী সময়সূচি এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে
📰 বিস্তারিত
২২ সেপ্টেম্বর ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলামের ঘোষণা অনুযায়ী, পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউসের মধ্যে মশিউর সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ, বাঙ্কো সিকিউরিটিজ ও শাহ মোহাম্মদ সগীর অ্যান্ড কোম্পানি থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় প্রথম দফায় মশিউর সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চেক বিতরণ শুরু হয়েছে। বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান গত সোমবার এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল (আইপিএফ) থেকে গ্রাহকদের এই অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পাওনা আইপিএফ থেকে পরিশোধ করা হবে। এর ফলে ১৭ হাজার ৩৩২ জন বিনিয়োগকারীর শতভাগ পাওনা পরিশোধ করা হয়ে যাবে। বাকি ৫৯৫ জন বড় বিনিয়োগকারীর অবশিষ্ট পাওনা (৫ লাখ টাকার বেশি) উদ্ধারে খেলাপি ব্রোকারেজ হাউসগুলোর শেয়ার, সম্পত্তি ও পরিচালকদের ব্যক্তিগত সম্পদ বিক্রি করে অর্থ পরিশোধের আইনি পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে ডিএসই।
ব্রোকারেজ হাউসের গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ রোধে বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান ঘোষণা করেছেন, প্রতিটি ব্রোকারেজ হাউসের জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে ইউনিফাইড ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার এবং অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এর মাধ্যমে ডিএসই এবং বিএসইসি সরাসরি সমন্বিত গ্রাহক হিসাবের হালনাগাদ তথ্য পর্যবেক্ষণ করতে পারবে।
"ভবিষ্যতে কোনো ব্রোকারেজ হাউস যেন গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ করতে না পারে, সে জন্য শিগগিরই প্রতিটি ব্রোকারেজ হাউসের জন্য একটি সমন্বিত ও সুরক্ষিত ‘ইউনিফাইড ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার’ এবং ‘অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস)’ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার নিকুঞ্জে ডিএসই ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ খান (বিএসইসি চেয়ারম্যান), মমিনুল ইসলাম (ডিএসই চেয়ারম্যান), বিনিয়োগকারীরা (১৭ হাজার ৩৩২ জন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ কোটি টাকা (মোট ক্ষতিপূরণ), ১৭ হাজার ৩৩২ জন (ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী), ৯৭ শতাংশ (পাওনা ফেরত পাবেন), ৩ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা (দ্বিতীয় দিনে বিতরণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!