📌 ভ্যাপিংয়ের মতো ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে তরুণদের দূরে রাখতে অজ্ঞতা ও সামাজিক প্রভাবকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল এ তথ্য তুলে ধরেন
প্রথম আলো ট্রাস্ট আয়োজিত মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভার ১৭৮তম আসরে ভ্যাপিংয়ের ক্ষতিকর দিক নিয়ে আলোচনা করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল। গত ২০ মে কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত এই অনলাইন সভায় তিনি তরুণদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ভ্যাপিং প্রবণতার মূল কারণ হিসেবে অজ্ঞতা ও বন্ধুদের সামাজিক প্রভাবকে চিহ্নিত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভ্যাপিংকে নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা তরুণদের মধ্যে অজ্ঞতার পরিচায়ক
- 📌 বন্ধুদের আড্ডার সময় একে অন্যকে ভ্যাপিংয়ের প্রস্তাব দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি
- 📌 কিছু অসাধু মহল ভ্যাপিং লিকুইডে ইয়াবা ও উদ্দীপক ড্রাগ মিশিয়ে তরুণদের অজান্তেই বিপদে ফেলছে
- 📌 জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল এসব তথ্য তুলে ধরেন
📰 বিস্তারিত
প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজনে গত ২০ মে কার্যালয় কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত হয় তাদের ১৭৮তম অনলাইন পরামর্শ সভা। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল। ভ্যাপিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আলোচনার সময় তিনি তরুণদের মধ্যে এই অভ্যাসের প্রধান দুটি কারণ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, তরুণ ও কিশোররা ভ্যাপিংকে সাধারণ একটি ডিভাইস হিসেবে বিবেচনা করে, যার কোনো ক্ষতি নেই। সামাজিক আড্ডার সময় একে অন্যকে ভ্যাপিংয়ের প্রস্তাব দেওয়ার প্রবণতা তাদের এই অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অসাধু চক্র ভ্যাপিং লিকুইডের সাথে ইয়াবা ও অন্যান্য উদ্দীপক ড্রাগ মিশিয়ে তরুণদের অজান্তেই বিপদে ফেলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
"তরুণরা মনে করে ভ্যাপিং শুধু আনন্দের জন্য, কোনো ক্ষতি নেই। তারা যখন গোল হয়ে আড্ডা দেয়, একজন অন্যজনকে অফার করে। এমনকি ইদানীং শোনা যাচ্ছে কিছু অসাধু চক্র এই ভ্যাপিং ডিভাইসের লিকুইডের সাথে ইয়াবা বা উদ্দীপক ড্রাগ মিশিয়ে দিচ্ছে। ফলে সন্তানরা অজান্তেই এক ভয়ানক অন্ধকার জগতে তলিয়ে যাচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৮ (তম সভা), ২০ (মে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!