📌 চতুর্থ স্টেজের কোলন ক্যানসার ও পরে ওভারিয়ান ক্যানসারে আক্রান্ত হলেও সামিয়া আফরিন চিকিৎসা ও মানসিক শক্তির মাধ্যমে জীবন ফিরিয়ে আনছেন। ডাক্তাররা বলছেন, সময়মতো চিকিৎসা ও পরিবারের সহযোগিতায় ক্যানসারও জিততে পারা যায়
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা গ্রহণকারী একজন রোগী সামিয়া আফরিনের জীবন ক্যানসারের দু’বার আক্রমণকে পরাজিত করে জীবন ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। ২০২২ সালে চতুর্থ স্টেজের কোলন ক্যানসার ধরা পড়ার পর তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শুরু করেন। ইমিউনোথেরাপির মাধ্যমে দীর্ঘ দুই বছরের চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেও সাম্প্রতিককালে আবারও ওভারিয়ান ক্যানসারে আক্রান্ত হন। বর্তমানে তিনি কেমোথেরাপির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিয়া নিজের চুল ছোট করে কঠিন সময়কে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **চতুর্থ স্টেজের কোলন ক্যানসার** থেকে সুস্থ হয়ে ওঠেন সামিয়া আফরিন, কিন্তু পরে আবার **ওভারিয়ান ক্যানসারে আক্রান্ত হন** এবং বর্তমানে কেমোথেরাপি নিচ্ছেন।
- 📌 **সিঙ্গাপুরে ইমিউনোথেরাপি** দিয়ে দীর্ঘ দুই বছরের চিকিৎসার পর তিনি শারীরিকভাবে স্থিতিশীল হয়ে উঠলেন।
- 📌 **ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছিল ফুসফুস ও লিম্ফ নোডেও**, কিন্তু সঠিক চিকিৎসা ও মানসিক শক্তির মাধ্যমে তিনি আবার সুস্থতা পেয়েছেন।
- 📌 **কেমোথেরাপির সময়েও** সামিয়া নিজের চুল ছোট করে কঠিন সময় মোকাবিলা করছেন এবং সাহসের বার্তা দিচ্ছেন।
- 📌 **ডাক্তার ডা.আব্দুর রহমান** বলেছেন, ক্যানসার মানেই শেষ নয়—**সময়মতো শনাক্তকরণ, সঠিক চিকিৎসা ও পরিবারের সহযোগিতা** অনেক রোগীকে আবার ফিরিয়ে আনতে পারে।
📰 বিস্তারিত
সামিয়া আফরিনের ক্যানসার আক্রমণ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালে। প্রথমে চতুর্থ স্টেজের কোলন ক্যানসার ধরা পড়লে তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শুরু করেন। সেখানে ইমিউনোথেরাপি দিয়ে দীর্ঘ দুই বছরের চিকিৎসার পর তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হয়ে উঠলেও, সাম্প্রতিককালে আবারও ওভারিয়ান ক্যানসারে আক্রান্ত হন। অস্ত্রোপচারের পর পরীক্ষায় এটি **হাই-গ্রেড কার্সিনোমা** হিসেবে শনাক্ত হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি কেমোথেরাপি নিচ্ছেন।
কেমোথেরাপির সময় অনেকের মন ভয়ে ভেঙে পড়ে, কিন্তু সামিয়া নিজের চুল ছোট করে এই কঠিন সময়কে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করছেন। তিনি বলছেন, ক্যানসার মানেই শেষ নয়। সময়মতো চিকিৎসা ও পরিবারের সহযোগিতায় অনেক রোগী আবার সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।
ডাক্তার ডা.আব্দুর রহমান বলেছেন, ক্যানসারের লক্ষণ হিসেবে **অকারণে ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘদিনের অস্বাভাবিক ক্লান্তি, পেটের সমস্যা, পায়খানার অভ্যাসের পরিবর্তন, অস্বাভাবিক রক্তপাত বা শরীরের কোনো অংশে গুটি বা ফোলা** থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, **"ক্যানসার মানেই শেষ নয়। সময়মতো শনাক্তকরণ, সঠিক চিকিৎসা, মানসিক শক্তি এবং পরিবারের সহযোগিতা** অনেক রোগীকে আবার ফিরিয়ে আনতে পারে।"
"ক্যানসার ছড়িয়ে পড়লে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সঠিক চিকিৎসা ও মানসিক শক্তির মাধ্যমে অনেক রোগী আবার সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। সামিয়া আফরিনের মত জীবন যত কঠিন পরীক্ষাই নিক, আশা হারানো যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: **শ্রীপুর (রওশন ডায়াগনস্টিক), সিঙ্গাপুর, ত্রিশাল (গবরগাছা), ভালুকা, মুক্তাগাছা**
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: **সামিয়া আফরিন, ডা.আব্দুর রহমান**
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: **২০২২ (চিকিৎসা শুরু), ২ বছর (চিকিৎসা সময়কাল), ৪ (চতুর্থ স্টেজ কোলন ক্যানসার), ৭ (রোগী সংখ্যা), ৩ (ডায়াগনস্টিক সেন্টার সংখ্যা)**
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!