📌 জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটে (এনআইকেডিইউ) গত ২১ বছরে মাত্র ৮৬টি কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বছরে ১০০টির প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা থাকলেও জনবল ও যন্ত্রপাতির ঘাটতিতে তা সম্ভব হচ্ছে না
জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটে (এনআইকেডিইউ) গত ২১ বছরে মাত্র ৮৬টি কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বছরে ১০০টির প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা থাকলেও জনবল ও যন্ত্রপাতির ঘাটতিতে তা সম্ভব হচ্ছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটে (এনআইকেডিইউ) গত ২১ বছরে মাত্র ৮৬টি কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির বছরে ১০০টির প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা থাকলেও ঘাটতি রয়েছে জনবল ও যন্ত্রপাতির
- 📌 এনআইকেডিইউর ইউরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম জানান, আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে সপ্তাহে দুটি প্রতিস্থাপন সম্ভব হবে
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান শয্যা সংখ্যা ৪৫০ হলেও জনবল রয়েছে মাত্র ১৫০ শয্যার কাঠামোয়
📰 বিস্তারিত
জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটে (এনআইকেডিইউ) গত ২১ বছরে মাত্র ৮৬টি কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। ইউরোলজি শল্যচিকিৎসক ও কিডনি বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এ পর্যন্ত প্রায় চার হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন হলেও সরকারি প্রতিষ্ঠানটিতে সংখ্যাটি অত্যন্ত কম।
২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এনআইকেডিইউতে ২০০৩ সালে রোগী ভর্তি শুরু হয়। পরবর্তীতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৪৫০-এ দাঁড়িয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির জনবল কাঠামো রয়ে গেছে মাত্র ১৫০ শয্যার অনুযায়ী। ফলে ৫০০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও তা পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।
এনআইকেডিইউর ইউরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম জানান, প্রতিষ্ঠানটির বছরে প্রায় ১০০টি কিডনি প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা রয়েছে। তবে আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হলে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে সপ্তাহে দুটি প্রতিস্থাপন সম্ভব হবে।
"বর্তমান জনবল, সার্জন ও অন্যান্য লজিস্টিক সুবিধা বিবেচনায় আইনগত প্রক্রিয়া দ্রুত হলে আমরা সপ্তাহে দুটি কিডনি প্রতিস্থাপন করতে পারব। বছরে প্রায় ১০০টি প্রতিস্থাপন করার সক্ষমতা আমাদের রয়েছে। সদিচ্ছা আছে, প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ জ্ঞানও আছে।"
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, কিডনি প্রতিস্থাপনের আগে দাতা ও গ্রহীতার সম্পর্ক ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একাধিক ধাপে যাচাই করা হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশন, আইনগত কমিটির অনুমোদন ও চিকিৎসকের শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়।
এনআইকেডিইউর কিডনি প্রতিস্থাপন প্রধান সমন্বয়কারী ও ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. ফজল নাসের জানান, ২০১১ সালের পর দীর্ঘ সময় প্রতিস্থাপন কার্যক্রম প্রায় বন্ধ ছিল। ২০২১ সালে পুনরায় শুরু হওয়া কার্যক্রমে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিস্থাপনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম, অধ্যাপক ডা. মো. ফজল নাসের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৬টি (২১ বছরে প্রতিস্থাপন), ১০০টি (বার্ষিক সক্ষমতা), ৪৫০টি (বর্তমান শয্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!