📌 খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ২৫০ শয্যা সম্প্রসারণ প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মাত্র ১১০ শয্যা চালু রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের জন্য গৃহীত প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বেড়েছে
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ২৫০ শয্যা সম্প্রসারণ প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মাত্র ১১০ শয্যা চালু রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের জন্য গৃহীত প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বেড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুমোদিত ২৫০ শয্যা প্রকল্পে মাত্র ১০টি শয্যা বৃদ্ধি করে ১১০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে
- 📌 হাসপাতালে অনুমোদিত শয্যার চেয়ে ৫৫ জন বেশি রোগী ভর্তি থাকায় শয্যা সংকট প্রকট
- 📌 ২০২৩ সালে প্রকল্পটি বাতিল হওয়ার পর নতুন করে ছয়তলা ভবনের নির্মাণকাজ চলমান
- 📌 ছয়তলা ভবনের কাজ শেষ হলে কার্যকর শয্যাসংখ্যা হবে ১৭৬
📰 বিস্তারিত
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ২৫০ শয্যা সম্প্রসারণ প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মাত্র ১১০ শয্যা চালু রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের জন্য গৃহীত প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বেড়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১৬৫ রোগী। এর মধ্যে পুরুষ ৬৮ ও নারী ৯৭ জন। অর্থাৎ অনুমোদিত শয্যার চেয়ে ৫৫ জন বেশি রোগী ভর্তি ছিলেন।
বুধবার রাতে ভর্তি হওয়া বটিয়াঘাটা উপজেলার শিয়ালীডাঙ্গা গ্রামের বৃদ্ধ আনসার শিকারীকে প্রথমে শয্যা দেওয়া হয়নি। তিনতলা মূল ভবনের সিঁড়ির পাশের সামান্য ফাঁকা জায়গায় বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে শুরু করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ছেলে ফেরদৌস শিকারী ও নাতি ফয়সাল শিকারী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে আলাপকালে ফয়সাল শিকারী জানান, তাঁর দাদা বুধবার রাতে শয্যা পেয়েছেন।
২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ২৫০ শয্যার প্রকল্প অনুমোদন দেয়। এরপর সাড়ে ৯ বছরে মাত্র ১০টি শয্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১১০টি শয্যা। চালু হয়নি আর ২৫০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ সেবা।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন ১২ তলা ভবনের ভিত্তি দিয়ে ৬ তলা পর্যন্ত নির্মাণের জন্য একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের আগস্টে। কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। ২০২৪ সালে প্রকল্পটি বাতিল হয়। এরপর ছয়তলার অসম্পন্ন অংশ নির্মাণ এবং ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের প্রকল্প নেওয়া হয়।
খুলনা গণপূর্ত উপবিভাগ-১–এর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী দীপক চন্দ্র শীল বলেন, ৩২ কোটি টাকার চুক্তির বিপরীতে ২৩ কোটি টাকার বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল। পুরোনো ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার দেয়াল ও ছাদের অবস্থাও নাজুক। ফলে মূল ভবনটি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে।
"পুরোনো ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার দেয়াল ও ছাদের অবস্থা নাজুক। ফলে মূল ভবনটি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে। পুরুষ বহির্বিভাগ তিনতলা মূল ভবনের সামনের রাস্তার বিপরীত পাশে টিনশেডে পরিচালিত হচ্ছে। আর নারীদের বহির্বিভাগ সেবা চলছে চারতলা ভবনে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা জেনারেল হাসপাতাল, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনসার শিকারী, ফয়সাল শিকারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০, ১১০, ১৬৫, ৫৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!