📌 রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে বিদ্যুৎ লাইনের সুরক্ষার নামে গাছের ডালপালা কেটে ন্যাড়া করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবাদীরা বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই এই কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন। রাতের আঁধারে গাছ তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে
রংপুরের তারাগঞ্জ থেকে পাগলাপীর পর্যন্ত রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত গাছের ডালপালা কেটে ন্যাড়া করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ লাইনের সুরক্ষার নামে এই কাজ করছেন রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর কর্মীরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবাদীরা বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই এই অপ্রয়োজনীয় কাজের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে গাছের ডালপালা কাটা হচ্ছে গত তিন দিন ধরে, রাতের আঁধারে গাছ তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা শাহিনুর ইসলামের মতে, কম দামে বিক্রি করার জন্য পুরো গাছ ন্যাড়া করে দেওয়া হচ্ছে
- 📌 বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবাদী তুহিন ওয়াদুদ বলেছেন, অপ্রয়োজনীয় ডাল কেটে গাছের স্বাভাবিক আকৃতি নষ্ট হচ্ছে
- 📌 তারাগঞ্জের বন কর্মকর্তা মো. আখতারুল ইসলাম জানান, গাছ কাটার কোনো অনুমতি নেই, কিন্তু কর্মীরা বাধা মেনে নিচ্ছেন না
- 📌 রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জোনাল ম্যানেজার মনোয়ারুল ইসলাম ফিরোজী বলেছেন, শুধু ঝুঁকিপূর্ণ ডালপালাই কাটার কথা, পুরো গাছ কাটার নয়
📰 বিস্তারিত
রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে বিদ্যুৎ লাইনের সুরক্ষার নামে গাছের ডালপালা কাটা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবাদীরা এই কাজের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন। তারা দাবি করছেন, বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা শাহিনুর ইসলামের মতে, গাছের ডালপালা কম দামে বিক্রি করার জন্য পুরো গাছ ন্যাড়া করে দেওয়া হচ্ছে। পরে গাছ শুকিয়ে গেলে রাতের আঁধারে একটি চক্র সেগুলো তুলে নিয়ে যায়।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও পরিবেশবাদী সংগঠন রিভারাইন পিপলের পরিচালক তুহিন ওয়াদুদ বলেছেন, ‘বিদ্যুৎ লাইনের জন্য যে ডালগুলো কাটা প্রয়োজন, শুধু সেগুলোই কাটা উচিত। কিন্তু অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় ডালও কেটে ফেলা হয়। এভাবে গাছের ক্ষতি করা পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর।’
তারাগঞ্জের বন কর্মকর্তা মো. আখতারুল ইসলাম জানান, ‘গাছ কাটার কোনো কাগজপত্র বা অনুমতি নেই। অনেক বাধা দেওয়া হলেও তারা মানেন না। ডালপালা সব কেটে শুধু গোড়াটা রেখে দেয়। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে করে আসছে।’
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জোনাল ম্যানেজার মনোয়ারুল ইসলাম ফিরোজী বলেন, ‘বিভিন্ন সড়কে গাছের ডালপালা কাটা হচ্ছে। লাইনের কাছাকাছি চলে আসা বা বিদ্যুৎ সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এমন ডালপালাই কাটার কথা। পুরো গাছ কাটার কথা নয়। এমন ঘটনা হলে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হবে।’
"গাছের ডালপালা কম দামে স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। এ জন্য পুরো গাছ ন্যাড়া করে ফেলা হচ্ছে। পরে গাছ শুকিয়ে গেলে রাতের আঁধারে একটি চক্র সেগুলো তুলে নিয়ে যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক, তারাগঞ্জ, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহিনুর ইসলাম, তুহিন ওয়াদুদ, মো. আখতারুল ইসলাম, মনোয়ারুল ইসলাম ফিরোজী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!