📌 ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনায় মহানগর এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা কর্মসূচি শুরু হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে
১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনায় ঢাকার মহানগর এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা কর্মসূচির আওতায় এই অভিযান শুরু হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ, স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শুরু হবে।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনায় কর্মসূচি শুরু হবে।
- 📌 মহানগর এলাকায় সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসন, উপজেলায় ইউএনও সমন্বয় করবেন।
- 📌 স্বেচ্ছাসেবক, স্কাউট, বিএনসিসি, গার্ল গাইডস, রেড ক্রিসেন্ট ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হবে।
- 📌 প্রতি শনিবার বাসাবাড়ি পরিষ্কার রাখা ও এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য জনসচেতনতা কর্মসূচি চালানো হবে।
- 📌 গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা প্রচারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু মশকনিধন নয়, পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন।
কর্মসূচির আওতায় ঢাকার মহানগর এলাকায় সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসকরা, উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) স্থানীয় কার্যক্রম সমন্বয় করবেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হবে।
প্রতি শনিবার স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীরা বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় গিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেবেন। এছাড়াও এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করা এবং বাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা প্রচারের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তারা।
"ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু মশকনিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর (সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ মাস, ১২ সেপ্টেম্বর, ৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!