📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কোনিগসবার্গের সাত সেতুর গোপন গণিত: অয়লার কীভাবে সমাধান দিলেন?

কোনিগসবার্গের সাত সেতুর গোপন গণিত: অয়লার কীভাবে সমাধান দিলেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৭৩৬ সালে সুইস গণিতবিদ লিওনার্ড অয়লার কোনিগসবার্গের সাত সেতুর ধাঁধা সমাধান করে গ্রাফ থিওরির জন্ম দেন। চারটি স্থলভাগের মধ্যে সেতু সংযোগের বিজোড় সংখ্যা প্রমাণ করে দেখান যে, প্রতিটি সেতু একবার করে পার করে ফিরে আসা সম্ভব নয়

১৮শ শতাব্দীর কোনিগসবার্গ শহরে একটি অদ্ভুত গণিতের ধাঁধা জন্মায়। প্রেগেল নদী শহরকে চারটি অংশে বিভক্ত করে, যেখানে সাতটি সেতু তাদের সংযোগ স্থাপন করে। শহরবাসীরা হাঁটতে হাঁটতে প্রতিটি সেতু একবার করে পার করে ফিরে আসার চেষ্টা করলেও সফল হননি। এই সমস্যার সমাধান দেন সুইস গণিতবিদ লিওনার্ড অয়লার, যিনি গ্রাফ থিওরির মৌলিক ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কোনিগসবার্গের সাত সেতু সংযোগকারী চারটি স্থলভাগের মধ্যে প্রতিটি সেতু একবার করে পার করে ফিরে আসা সম্ভব নয়, কারণ প্রতিটি স্থলভাগের সেতুসংখ্যা বিজোড় (A: ৩টি, B: ৩টি, C: ৫টি, D: ৩টি)।
  • 📌 গণিতবিদ লিওনার্ড অয়লার ১৭৩৬ সালে এই সমস্যা সমাধান করে গ্রাফ থিওরির সূত্রপাত করেন, যেখানে স্থলভাগকে বিন্দু এবং সেতুকে রেখা হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করা হয়।
  • 📌 অয়লারের আবিষ্কার থেকে আজ পর্যন্ত ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক, জিপিএস রাস্তা খোঁজা, সামাজিক যোগাযোগ বিশ্লেষণ এবং জিনতত্ত্বে গ্রাফ থিওরি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
  • 📌 অয়লারীয় পথ বলতে বোঝায় এমন একটি পথ যেখানে প্রতিটি সংযোগ একবার করে পার হয়, আর অয়লারীয় বর্তনী বলতে সেই পথের শুরুর জায়গায় ফিরে আসা বোঝায়।

📰 বিস্তারিত

প্রেগেল নদী কোনিগসবার্গ শহরকে চারটি অংশে ভাগ করে: A ও B হলো নদীর দুই পাড়, C হলো মাঝের দ্বীপ এবং D হলো নদীর শাখার মধ্যে আটকে পড়া অংশ। এই চারটি অংশকে সংযুক্ত করে মোট সাতটি সেতু ছিল। শহরবাসীরা প্রতিটি সেতু একবার করে পার করে ফিরে আসার চেষ্টা করলেও কেউ সফল হননি। কারণ, প্রতিটি স্থলভাগের সেতুসংযোগের সংখ্যা বিজোড় ছিল। অয়লার এই সমস্যা সমাধান করার জন্য স্থলভাগগুলোকে বিন্দু এবং সেতুগুলোকে রেখা হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন।

অয়লার দেখান যে, যদি কোনো স্থলভাগে ঢুকতে হয়, তাহলে সেখান থেকে বেরোনোও হতে হবে। অর্থাৎ প্রতিটি স্থলভাগের সেতুসংযোগের সংখ্যা অবশ্যই জোড় হতে হবে। কোনিগসবার্গের চারটি স্থলভাগের সেতুসংযোগের সংখ্যা ছিল A: ৩টি, B: ৩টি, C: ৫টি এবং D: ৩টি — সবগুলো বিজোড়। ফলে, প্রতিটি সেতু একবার করে পার করে ফিরে আসা সম্ভব নয়।

অয়লার আরও দেখান যে, যদি ফিরে আসার শর্ত বাদ দেয়া হয়, তাহলে বিজোড় সেতুসংযোগের সংখ্যা সর্বোচ্চ দুটি হতে পারে — একটি যাত্রা শুরু এবং একটি শেষ করার জন্য। কোনিগসবার্গে চারটি বিজোড় স্থলভাগ থাকায় এমন কোনো পথই সম্ভব নয়।

"অয়লার দেখান যে, প্রতিটি স্থলভাগের সেতুসংযোগের সংখ্যা জোড় হতে হবে। বিজোড় হলে এমন পথ সম্ভব নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কোনিগসবার্গ, প্রুশিয়া (বর্তমান পোল্যান্ড)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিওনার্ড অয়লার (গণিতবিদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সেতুসংযোগের সংখ্যা — A: ৩টি, B: ৩টি, C: ৫টি, D: ৩টি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖