📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কিডনি প্রতিস্থাপনের পরও জটিলতায় মান্নাফ হোসেন রানা, সর্বস্বান্ত পরিবার

কিডনি প্রতিস্থাপনের পরও জটিলতায় মান্নাফ হোসেন রানা, সর্বস্বান্ত পরিবার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাগেরহাটের মান্নাফ হোসেন রানা (৩৩) দুই বছর আগে বোনের কিডনি নিয়ে প্রতিস্থাপন করালেও এখন আবার কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে পরিবার বিক্রি করেছে জমি ও সঞ্চয়। সরকার ও বিত্তবানদের সহায়তা চাইছেন তারা

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার সোনাখালী গ্রামের দিনমজুর শেখ মান্নাফ হোসেন রানা (৩৩) দুই বছর আগে বোনের দেওয়া কিডনি প্রতিস্থাপন করালেও এখন আবার কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। তাঁর পরিবার ইতোমধ্যে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে বিক্রি করেছে জমিজমা ও সঞ্চয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মান্নাফ হোসেন রানা (৩৩) দুই বছর আগে বোনের দেওয়া কিডনি নিয়ে প্রতিস্থাপন করালেও এখন আবার কিডনি জটিলতায় ভুগছেন
  • 📌 তাঁর পরিবার ইতোমধ্যে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে বিক্রি করেছে জমিজমা ও সঞ্চয়
  • 📌 চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর কিডনির কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমেছে এবং কিডনি রিজেকশনের ঝুঁকি রয়েছে
  • 📌 মান্নাফের মা জানান, দেশে ও ভারতে চিকিৎসা করাতে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে

📰 বিস্তারিত

বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার সোনাখালী গ্রামের দিনমজুর শেখ মান্নাফ হোসেন রানা (৩৩) দুই বছর আগে বোনের দেওয়া কিডনি নিয়ে প্রতিস্থাপন করালেও এখন আবার কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। তাঁর পরিবার ইতোমধ্যে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে বিক্রি করেছে জমিজমা ও সঞ্চয়।

মান্নাফ হোসেন রানা দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। ২০২৩ সালে তাঁর দুটি কিডনিই অকার্যকর ধরা পড়ে। ডায়ালাইসিসের পর তাঁর কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। পরিবারের সামর্থ্য না থাকায় তখন তাঁর ছোট বোন জিনিয়া আক্তার তাঁকে একটি কিডনি দান করেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মান্নাফের কিডনির কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমেছে এবং কিডনি রিজেকশনের ঝুঁকি রয়েছে। চিকিৎসার জন্য তাঁকে প্রায়ই ঢাকায় যেতে হয়। প্রতিবার যাতায়াত, পরীক্ষা ও হাসপাতালে থাকার খরচ মিলিয়ে এক থেকে দেড় লাখ টাকা প্রয়োজন হয়।

মান্নাফের মা রেখা বেগম বলেন, ‘ছেলের চিকিৎসায় জমি, সঞ্চয় ও পেনশনের টাকা-সবই শেষ হয়ে গেছে। দেশে ও ভারতে চিকিৎসা করাতে এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন আর চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়ার মতো সামর্থ্য নেই।’

‘ভাইকে সুস্থ করার আশায় আমি কিডনি দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন আবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সমাজের বিত্তবান মানুষ ও সরকারের সহায়তা পেলে তাঁর চিকিৎসা চালানো সম্ভব হতে পারে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফকিরহাট, বাগেরহাট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ মান্নাফ হোসেন রানা (৩৩)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖