📌 ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিক নিউরোডিসঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম (ইপনা)-এর উদ্যোগে আয়োজিত সার্টিফিকেট কোর্সের ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত শিশুদের সেবার মান উন্নয়নে প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন
ঢাকা, ১৬ আগস্ট ২০২৬: বাংলাদেশে অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত শিশুদের সেবার মান উন্নয়নে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিক নিউরোডিসঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম (ইপনা)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘সার্টিফিকেট কোর্স অন নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার’-এর ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইপনার উদ্যোগে আয়োজিত সার্টিফিকেট কোর্সের ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ বিতরণ
- 📌 অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মানবিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান
- 📌 অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান হাওলাদার শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার রোধে পরিবারকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন
- 📌 অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর যথাযথ যত্নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন
- 📌 ইপনার পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী আশরাফুল ইসলাম প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের আহ্বান জানান
📰 বিস্তারিত
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের অর্জিত জ্ঞানকে মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতা কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার রোধে পরিবারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর যথাযথ যত্ন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার-প্রচারণা চালানোরও পরামর্শ দেন।
সভাপতির বক্তব্যে ইপনার পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী আশরাফুল ইসলাম প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করে শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশব্যাপী সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব।
"এ কোর্স থেরাপিস্ট ও শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সন্তানদের বৈজ্ঞানিক উপায়ে সহায়তায় সক্ষম করে তুলবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, অধ্যাপক ডা. কাজী আশরাফুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ষ্ঠ ব্যাচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!