📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কক্সবাজারের সংরক্ষিত বনে অবৈধ সড়ক নির্মাণ: বনভূমি ও বন্য প্রাণীর অস্তিত্ব ঝুঁকিতে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আমিনুল হক আমিনুল হক
কক্সবাজারের সংরক্ষিত বনে অবৈধ সড়ক নির্মাণ: বনভূমি ও বন্য প্রাণীর অস্তিত্ব ঝুঁকিতে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সংরক্ষিত বনে অবৈধভাবে ১৮ ফুটের সড়ক নির্মাণ চলছে। এতে বনভূমি দখলকারীদের সুবিধা পাবার পাশাপাশি বন্য প্রাণীদের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নির্মাণ কাজ চলমান

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সংরক্ষিত বনের ভেতর দিয়ে অবৈধভাবে ১৮ ফুটের সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। এতে দেশের একমাত্র পাহাড়ি বনসমৃদ্ধ এই সংরক্ষিত বনের অস্তিত্ব ঝুঁকিতে পড়েছে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫৭ সালে সংরক্ষিত ঘোষিত এই ১৮ হাজার ২৮৬ একর বনভূমিতে বসবাসরত চার হাজারের বেশি দখলদারদের সুবিধার্থে সড়ক নির্মাণের কাজ চলমান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সংরক্ষিত বনে ১৮ ফুটের সড়ক নির্মাণ চলছে, যা বন আইনের বিরুদ্ধে
  • 📌 ১৯৫৭ সালে সংরক্ষিত ঘোষিত ১৮ হাজার ২৮৬ একর বনভূমিতে বসবাসরত ৪ হাজার দখলদারদের সুবিধার্থে সড়ক নির্মাণ
  • 📌 বন বিভাগের তথ্য: সড়ক নির্মাণে বন্য প্রাণীদের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হবে, চিত্রা হরিণ, পাহাড়ি কচ্ছপসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণীর অস্তিত্ব ঝুঁকিতে
  • 📌 জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) অর্থায়নে ২২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ চলছে
  • 📌 স্থানীয় এমপি আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ বন বিভাগকে প্রশাসনিক সহায়তা চেয়েছিলেন, কিন্তু বন বিভাগ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে
  • 📌 নির্মাণকাজ তদারকি করছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস (৪৫), তিনি দাবি করেন, সড়ক হলে শাপলাপুর ইউনিয়ন থেকে কালামারছড়া ইউনিয়নে যাতায়াত সহজ হবে

📰 বিস্তারিত

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর সড়ক ধরে জেএম ঘাটের দিকে যাওয়ার পথে সংরক্ষিত বনের ভেতর দিয়ে একটি মেঠো পথের উপর ১৮ ফুটের সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই বনভূমি ১৯৫৭ সালে সংরক্ষিত ঘোষিত হয়েছিল এবং এখানে বসবাসরত চার হাজারের বেশি দখলদারদের সুবিধার্থে সড়ক নির্মাণের কাজ চলমান। বন বিভাগের তথ্য মতে, এই বনে চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ, পাহাড়ি কচ্ছপ, মুখপোড়া হনুমান, অজগরসহ নানা প্রজাতির বন্য প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল। সড়ক নির্মাণের ফলে এসব বন্য প্রাণীর স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হবে এবং বনের বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

১৬ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় দেড় কিলোমিটার মেঠো পথের কিছুদূর পরপর কংক্রিটের ঢালাই করা হয়েছে। দুই পাশে পাহাড় ঘেঁষে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও পানের বরজ মিলে পুরো একটা জনপদ গড়ে উঠেছে বনের ভেতর। এখানে বসবাসরত সবাই সরকারি নথিতে জবরদখলকারী হিসেবে তালিকাভুক্ত। নির্মাণকাজ তদারকি করছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস (৪৫)। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ সড়কটি হলে আমরা এখান থেকে পাশের ইউনিয়ন কালামারছড়ায় অল্প সময়ে যাতায়াত করতে পারব। দিনরাত কাজ চলছে। আমরাও সহযোগিতা করছি।’

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শাপলাপুর এলাকার ১৮ হাজার ২৮৬ একর সংরক্ষিত বনের ভেতর অবৈধভাবে ঘরবাড়ি, দোকানপাট নির্মাণ করে বসবাস করছে চার হাজারের বেশি মানুষ। এই সড়ক হলে তারা সুবিধা পাবে। একই সঙ্গে বনভূমি দখলের প্রবণতা বাড়বে। বন বিভাগের তথ্য মতে, বন আইন অনুযায়ী, সংরক্ষিত বনে কোনো ধরনের স্থাপনা বা অবকাঠামো করার সুযোগ নেই।

চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কার্যালয় শাপলাপুরের বিট কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র সরকার বলেন, বন আইন অনুযায়ী, সংরক্ষিত বনে কোনো ধরনের স্থাপনা বা অবকাঠামো করার সুযোগ নেই। বন বিভাগ বাধা দিয়ে কাজ বন্ধ করলেও গায়ের জোরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় একটি মামলা করেছেন বলে জানান তিনি।

"এ সড়কটি হলে আমরা এখান থেকে পাশের ইউনিয়ন কালামারছড়ায় অল্প সময়ে যাতায়াত করতে পারব। দিনরাত কাজ চলছে। আমরাও সহযোগিতা করছি।"
"এ বনটি সংরক্ষিত বনভূমি বিধায় বিদ্যমান আইনে এখানে সড়ক নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার, মহেশখালী উপজেলা, শাপলাপুর, সংরক্ষিত বনভূমি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ ইদ্রিস (৪৫), আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ, আমিনুল হক, মিল্টন চন্দ্র সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ ফুট (সড়ক প্রস্থ), ১৬ সেপ্টেম্বর (সরেজমিনে দেখা), ১০-১২ জন (শ্রমিক), ৪৫ বছর (মোহাম্মদ ইদ্রিস), ২০ ধারা (বন আইন), ১২ নম্বর (মৌজা), ১৮ হাজার ২৮৬ একর (বনভূমি), ৪ হাজার (দখলদার), ২২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা (ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖