📌 লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি টিনশেড কারখানায় ৩০ ধরনের খাদ্যসামগ্রী তৈরি হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার কোনো মানদণ্ড মেনে না নেওয়া হচ্ছে। কারখানায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৭০-৮০ জন শ্রমিক অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় কাজ করছেন
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ফজুমিয়ারহাট বাজারের চর লরেন্স-সোনাপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত একটি টিনশেড কারখানায় ৩০ ধরনের খাদ্যসামগ্রী তৈরি হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার কোনো মানদণ্ড মেনে না নেওয়া হচ্ছে। কারখানাটি ঢাকাইয়া ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট কারখানা নামে পরিচিত। এখানে রুটি, বিস্কুট, পাউরুটি, কেক, টোস্ট ও চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি টিনশেড কারখানায় ৩০ ধরনের খাদ্যসামগ্রী তৈরি হচ্ছে, যার মধ্যে রুটি, বিস্কুট ও কেক অনুমোদিত, বাকিগুলো অনুমোদনের বাইরে
- 📌 কারখানায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন শ্রমিক অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় কাজ করছেন, তাদের কারোর মুখে মাস্ক নেই, হাতে গ্লাভস নেই
- 📌 কারখানার মেঝে স্যাঁতসেঁতে, খাদ্যসামগ্রী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা, পুরোনো কেকের ওপর রঙিন কেমিক্যালের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে
- 📌 কারখানাটি ২০২০ সাল থেকে ব্যস্ত আঞ্চলিক সড়কের পাশে টিনশেড ঘর ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে
- 📌 কারখানার পরিচালক জহির আলম অনুমোদনের বাইরে পণ্য উৎপাদন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শ্রমিকদের কাজ করানোর বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করেছেন
- 📌 কমলনগর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. রিয়াজ বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ফজুমিয়ারহাট বাজারের চর লরেন্স-সোনাপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত ঢাকাইয়া ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট কারখানায় স্বাস্থ্যবিধির কোনো মানদণ্ড মেনে না নেওয়া হচ্ছে। কারখানাটি বশির উল্লাহ মিয়ার বাড়ির সামনে অবস্থিত। এখানে রুটি, বিস্কুট ও কেকের অনুমতি রয়েছে, কিন্তু সিঙ্গারা, চানাচুর, ড্রাই কেক ও টোস্টসহ অন্তত ৩০ ধরনের খাদ্যসামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। কারখানার মেঝে স্যাঁতসেঁতে এবং খাদ্যসামগ্রী ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। এমনকি পুরোনো জন্মদিনের কেকের ওপর রঙিন কেমিক্যালের প্রলেপ দিয়ে সেগুলো নতুন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
কারখানায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন শ্রমিক একসঙ্গে কাজ করছেন। শ্রমিকেরা অপরিচ্ছন্ন শরীরে খালি হাতে খাদ্যসামগ্রী তৈরি করছেন। কারখানার পরিচালক জহির আলমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন, কারখানায় কেবল রুটি, বিস্কুট ও কেক তৈরি করা হচ্ছে। তবে অনুমোদনের বাইরে পণ্য উৎপাদন এবং অতিরিক্ত শ্রমিক দিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করানোর বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি অস্বীকার করেছেন।
কমলনগর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. রিয়াজ বলেছেন, কারখানাটি সরেজমিনে পরিদর্শনের পর অভিযোগের সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ পাঠান বলেছেন, কারখানাটির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের দল পাঠানো হবে। কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাত উজ জামান বলেছেন, ‘নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে আমরা অত্যন্ত কঠোর। শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
"কারখানায় কেবল রুটি, বিস্কুট ও কেক তৈরি করা হচ্ছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লক্ষ্মীপুর, কমলনগর উপজেলা, ফজুমিয়ারহাট বাজার, চর লরেন্স-সোনাপুর আঞ্চলিক সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহির আলম (কারখানার পরিচালক), মো. রিয়াজ (স্যানিটারি ইন্সপেক্টর), হারুন অর রশিদ পাঠান (জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক), মো. রাহাত উজ জামান (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ ধরনের খাদ্যসামগ্রী, ৭০-৮০ জন শ্রমিক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!