📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হেমন্তের মিষ্টি মাদকতাময় ছাতিমের ফুল: পথিকদের থামিয়ে দেয় গন্ধের জাদু

হেমন্তের মিষ্টি মাদকতাময় ছাতিমের ফুল: পথিকদের থামিয়ে দেয় গন্ধের জাদু

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হেমন্তের মৌসুমে ছাতিমের ফুলের তীব্র মিষ্টি গন্ধ পথিকদের থামিয়ে দেয়। মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কে ফুলের প্রাচুর্য লক্ষ্য করা গেছে। সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও নিসর্গবিদ দ্বিজেন শর্মা ছাতিমের গন্ধ ও প্রস্ফুটনের বর্ণনা করেছেন

হেমন্তের শীতল রাতের শান্ত নীরবতা ভাঙতে এসেছে ছাতিমের ফুলের মিষ্টি মাদকতাময় গন্ধ। মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কের পথিকরা সন্ধ্যায় এই গন্ধের জাদুতে থমকে যাচ্ছেন। ফুলের তীব্র সুবাস রাতের বেলায় আরও তরঙ্গিত হয়ে উঠছে, যা পথিকদের মনকে আকৃষ্ট করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কে ছাতিমের ফুলের প্রাচুর্য লক্ষ্য করা গেছে, যা পথিকদের থামিয়ে দেয় গন্ধের জাদু
  • 📌 হাওয়ায় ভেসে আসা ফুলের গন্ধ সন্ধ্যায় তীব্র হয়ে ওঠে, বিশেষত বৃষ্টির পর ভেজা ফুলগুলো আরও সুগন্ধি মুক্ত হয়
  • 📌 ছাতিমের ফুলের বৈশিষ্ট্য: সবুজাভ-সাদা, অনুজ্জ্বল, পাঁচটি বাঁকানো পাপড়ি সহ নলাকৃতির নিচের অংশ
  • 📌 সাহিত্যিকদের বর্ণনা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আরণ্যক’ ও দ্বিজেন শর্মার ‘শ্যামলী নিসর্গ’-এ ছাতিমের গন্ধ ও প্রস্ফুটনের প্রশংসা
  • 📌 ছাতিমের বৈজ্ঞানিক নাম ‘সপ্তপর্ণী’, যা হেমন্তের অঙ্গনে দাঁড়িয়ে সুগন্ধের প্লাবনে শীতকে অভ্যর্থনা জানায়

📰 বিস্তারিত

সন্ধ্যা নামার সময় মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কের পথিকরা হঠাৎ নাকে এসে লাগে ছাতিমের ফুলের তীব্র মিষ্টি গন্ধ। এই গন্ধ পথিকদের থমকে দেয় এবং রাত যত বাড়ে, ততই গন্ধ তীব্র ও মাদকতাময় হয়ে ওঠে। হেমন্তের এই সময়ে ছাতিমগাছের ডালে ডালে সবুজাভ-সাদা ফুলের প্রাচুর্য লক্ষ্য করা যায়। ফুলটি দেখতে তেমন নজরকাড়া নয়, তবে একসঙ্গে অনেক ফুল ফুটে থাকলে ভালো লাগে।

গত বুধবার এক স্কুলশিক্ষিকা মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কের অন্তত দুটি জায়গায় ছাতিম ফুটতে দেখেছেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে ওই সড়কের চাঁদনীঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে দুটি ছাতিমগাছ। একটি গাছ তুলনামূলক কম বয়সী হলেও ফুল ফুটেছে প্রচুর। আগের রাতের বৃষ্টিতে ভেজা ফুলগুলো আরও স্নিগ্ধ দেখাচ্ছিল। অন্য গাছটি বেশ বয়স্ক, যার ছাতার মতো থরে থরে সাজানো শাখা-প্রশাখায় অসংখ্য ফুল। গাছটির নিচে টিনের চালে জমে আছে ঝরা ফুল।

ছাতিমের ফুলের বৈশিষ্ট্য হলো এর নিচের অংশ নলাকৃতির এবং পাঁচটি পাপড়ি বাঁকানো। ছাতিমের ফল সরু ও লম্বা, বীজ রোমশ এবং বাতাসে ভাসে। বীজ থেকে সহজেই চারা জন্মে এবং বৃদ্ধিও দ্রুত হয়। ছাতিমের সংস্কৃত নাম ‘সপ্তপর্ণী’, যা চিরহরিৎ গাছ। এর ডালপালা ছড়ানোর ভঙ্গি ছাতার মতো, যা ছায়ার জন্যও সমাদৃত।

"কিছুদূর উঠতেই কিসের মধুর সুবাসে মনপ্রাণ মাতিয়া উঠিল। গন্ধটা অত্যন্ত পরিচিত...চারিদিকে চাহিয়া দেখি ধনঝরি পাহাড়ে যে এত ছাতিম গাছ আছে তাহা পূর্বে লক্ষ্য করি নাই। এখন প্রথম হেমন্তে ছাতিম গাছে ফুল ধরিয়াছে, তাহারই সুবাস।"

— বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ‘আরণ্যক’ উপন্যাস থেকে

নিসর্গবিদ দ্বিজেন শর্মা তাঁর ‘শ্যামলী নিসর্গ’ বইয়ে লিখেছেন, ছাতিমই বোধ হয় একমাত্র বৃক্ষ যে হেমন্তের অঙ্গনে দাঁড়িয়ে প্রস্ফুটন আর সুগন্ধের প্লাবনে এই দুরন্ত শীতকে অভ্যর্থনা জানায়। তিনি বলেছেন, প্রস্ফুটনের এমন অবারিত উচ্ছ্বাস এবং দূরবাহী প্রবল উগ্র গন্ধের ঐশ্বর্য আর কোনো হৈমন্তী তরুরই নেই।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়ক, চাঁদনীঘাট এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্কুলশিক্ষিকা, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দ্বিজেন শর্মা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টি ছাতিমগাছ (মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖