📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৬০ বছর ধরে বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করতে পারছেন না: প্রতি ২৬ সেকেন্ডে পৃথিবীর মৃদু স্পন্দন

৬০ বছর ধরে বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করতে পারছেন না: প্রতি ২৬ সেকেন্ডে পৃথিবীর মৃদু স্পন্দন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর পৃথিবীতে মৃদু ভূকম্পন ঘটে, যা ৬০ বছর ধরে বিজ্ঞানীদের জন্য অদ্ভুত রহস্য। গবেষকরা এখনো জানতে পারেননি এই স্পন্দনের সঠিক কারণ, যা মহাসাগরীয় ঢেউ বা আগ্নেয়গিরির সাথে যুক্ত হতে পারে

৬০ বছর ধরে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর একটি অদ্ভুত রহস্য নিয়ে গবেষণা করছেন। প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর পৃথিবীতে মৃদু ভূকম্পন ঘটে, যা ‘মাইক্রোসিজম’ নামে পরিচিত। এই স্পন্দন সম্পর্কে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন তত্ত্বের উপর আলোচনা করলেও সঠিক কারণ খুঁজে পেতে পারেননি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর পৃথিবীতে মৃদু ভূকম্পন ঘটে, যা ‘মাইক্রোসিজম’ নামে পরিচিত
  • 📌 ১৯৬০-এর দশকে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতাত্ত্বিক জ্যাক অলিভার প্রথম এই স্পন্দন নথিভুক্ত করেন
  • 📌 গবেষকদের মতে, গিনি উপসাগরের মহীসোপানের ঢেউ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে, যা স্পন্দনের কারণ হতে পারে
  • 📌 সাঁও তোমে দ্বীপের আগ্নেয়গিরির কাছাকাছি স্পন্দনের কেন্দ্রবিন্দু রয়েছে, যা আগ্নেয়গিরিজাত সিসমিক স্পন্দনের সম্ভাবনা নির্দেশ করে
  • 📌 জাপানেও একই ধরনের আগ্নেয়গিরিজাত সিসমিক স্পন্দন আগে থেকেই নথিভুক্ত রয়েছে
  • 📌 বিজ্ঞানীরা এই স্পন্দন নিয়ে গবেষণা করলেও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা না থাকায় এটি সমাধান করা প্রধান অগ্রাধিকার নয়

📰 বিস্তারিত

১৯৬০-এর দশকের শুরুতে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লামন্ট-ডোহার্টি জিওলজিক্যাল অবজারভেটরির ভূতাত্ত্বিক জ্যাক অলিভার প্রথম এই স্পন্দন বা মাইক্রোসিজম নথিভুক্ত করেন। তবে সে সময় আধুনিক সিসমোলজিস্টদের ব্যবহৃত উন্নত যন্ত্রপাতি তাঁর কাছে ছিল না। পরবর্তীকালে বিজ্ঞানীরা এই স্পন্দনের উৎস হিসেবে গিনি উপসাগরের বাইট অব বনি নামের স্থানটিকে চিহ্নিত করেন।

বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন তত্ত্বের উপর আলোচনা করছেন। কিছু গবেষকের মতে, মহাসাগরের নিচে থাকা কন্টিনেন্টাল শেলফ বা মহীসোপান একটি বিশাল ঢেউ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। গিনি উপসাগরের মহীসোপানের বিশেষ স্থানে নিয়মিত সমুদ্রের ঢেউ আঘাত করায় এই স্পন্দন তৈরি হতে পারে। বাদ্যযন্ত্রের ড্রামের মতো মহীসোপানের গঠন বিশেষ ধরনের শব্দের সৃষ্টি করছে বলে ধারণা করা হয়।

অন্য গবেষকদের মতে, এই স্পন্দনের পেছনে একটি আগ্নেয়গিরি দায়ী হতে পারে। সাঁও তোমে দ্বীপের একটি আগ্নেয়গিরির ঠিক কাছাকাছি স্পন্দনের কেন্দ্রবিন্দু রয়েছে। জাপানেও একই ধরনের আগ্নেয়গিরিজাত সিসমিক স্পন্দন আগে থেকেই নথিভুক্ত রয়েছে। বিজ্ঞানীরা এই স্পন্দন নিয়ে গবেষণা করলেও বড় ধরনের প্রাকৃতিক ক্ষতির আশঙ্কা না থাকায় এটি সমাধান করা প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে ওঠেনি।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, প্রতিবছর বড়দিনের আগে পৃথিবীর সিসমিক কম্পন কমে আসার প্রবণতা দেখা যায়। তবে এই স্পন্দনের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

"প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর পৃথিবীতে মৃদু ভূকম্পন ঘটে, যা ৬০ বছর ধরে বিজ্ঞানীদের জন্য অদ্ভুত রহস্য। গবেষকরা এখনো জানতে পারেননি এই স্পন্দনের সঠিক কারণ, যা মহাসাগরীয় ঢেউ বা আগ্নেয়গিরির সাথে যুক্ত হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গিনি উপসাগর (বাইট অব বনি), সাঁও তোমে দ্বীপ, জাপান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্যাক অলিভার, বিজ্ঞানীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি ২৬ সেকেন্ডে, ৬০ বছর ধরে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖