📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে উদ্বোধন করেন। ২৪টি দলে বিভক্ত ১ হাজার ৫০০ কর্মী মশা নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করবেন।
ঢাকা: ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আওতাধীন এলাকায় ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসের উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। এতে ২৪টি দলে বিভক্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০ কর্মী মাঠে নেমেছেন মশা নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার থেকে শুরু হয় ঢাকার ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান
- 📌 ১ হাজার ৫০০ কর্মী ২৪টি দলে বিভক্ত মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধন করেন জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসের অনুষ্ঠান
- 📌 সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজাতে তথ্য স্টল স্থাপন করা হয়েছে ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে
- 📌 অঞ্চল-৫ (সংসদ ভবন এলাকা) ও অন্যান্য অঞ্চলে বিশেষ সোর্স রিডাকশন কার্যক্রম চালানো হবে
- 📌 অঞ্চল-২, ৩ ও ৪ থেকে সুপারভাইজার ও মশককর্মীকে অঞ্চল-৫-এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে
- 📌 অঞ্চল-১, ৬, ৭, ৮ ও ৯সহ অন্যান্য এলাকায়ও সমন্বিত অভিযান চলবে
📰 বিস্তারিত
জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে আজ সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন। এছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে সেখানে একটি তথ্য স্টল স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশা দমন এবং নাগরিকদের করণীয় বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য ও সচেতনতামূলক উপকরণ প্রদর্শিত হবে।
ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অঞ্চল-৫, বিশেষ করে সংসদ ভবন ও আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ সোর্স রিডাকশন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং লার্ভানিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ডিএনসিসি জানায়, এ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য অঞ্চল-২, ৩ ও ৪ থেকে নির্ধারিত সংখ্যক সুপারভাইজার ও মশককর্মীকে সাময়িকভাবে অঞ্চল-৫-এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়া কর্মীরা নিজ নিজ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে যাবেন।
অঞ্চল-১, ৬, ৭, ৮ ও ৯সহ ডিএনসিসির অন্যান্য এলাকাতেও সমন্বিতভাবে বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এসব এলাকায় চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থান, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল এবং আগের হটস্পটগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অভিযান চালানো হবে। ডিএনসিসির ভাষ্য, এবারের কার্যক্রমে শুধু মশক নিধনের ওপর নয়, বরং এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত, উৎস ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লার্ভিসাইড প্রয়োগের মাধ্যমে সোর্স রিডাকশনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
"এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে ২৪টি দলে ভাগ হয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কর্মী মাঠে কাজ করবেন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) আওতাধীন এলাকা, বিশেষত অঞ্চল-৫ (সংসদ ভবন এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ডিএনসিসি কর্মীরা, সুপারভাইজার ও মশককর্মী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ২৪টি দল, ১ হাজার ৫০০ কর্মী, অঞ্চল-২, ৩ ও ৪ থেকে সুপারভাইজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!